নিউজ

লােকশিল্পের যে কোনাে একটি উপাদান প্রস্তুতকরণ

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, আশা করছি সবাই ভালো আছো। তোমরা কি ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৮ম সপ্তাহের চারু ও কারুকলা অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর  লােকশিল্পের যে কোনাে একটি উপাদান প্রস্তুতকরণ সম্পর্কে ধারণা নিতে চাচ্ছো? কিংবা অ্যাসাইনমেন্টটি কিভাবে প্রস্তুত করতে হয় সে সম্পর্কে জানতে আগ্রহী? তাহলে বলবো তোমরা ঠিক ওয়েবসাইটে এসেছো।

৬ষ্ঠ শ্রেণি ৮ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ চারু ও কারুকলা

অষ্টম সপ্তাহে ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা ইংরেজি বিষয়ের সাথে চারু ও কারুকলা বিষয়ের দ্বিতীয় এসাইনমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে। তাদের পাঠ্য বইয়ের তৃতীয় অধ্যায়ঃ বাংলাদেশের লোকশিল্প ও কারুশিল্প অংশ অধ্যায়নের পর এই কাজটি করতে দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা অ্যাসাইনমেন্ট উল্লেখিত নির্দেশনাসমূহ যথাযথভাবে অনুসরণ করে মূল্যায়ন রুবিক্স অনুযায়ী অষ্টম সপ্তাহের ষষ্ঠ শ্রেণির চারু ও কারুকলা বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট লিখে ইংরেজি বিষয়ের সাথে জমা দিবে।

শ্রেণি: ৬ষ্ঠ, এ্যাসাইনমেন্ট ক্রমঃ ২, অধ্যায় ও অধ্যায়ের শিরােনাম তৃতীয় অধ্যায়: বাংলাদেশের লােকশিল্প ও কারুশিল্প;

পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত পাঠনম্বর ও বিষয়বস্তুঃ পাঠ- ১: লােকশিল্পের ধারণা, পাঠ- ৪: কারুশিল্পের ধারণা, পাঠ- ২ ও ৩: বাংলাদেশের লােকশিল্পের পরিচয়, পাঠ- ৫ ও ৬: বাংলাদেশের কারুশিল্পের পরিচয়;

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজঃ লােকশিল্পের যে কোনাে একটি উপাদান প্রস্তুতকরণ।

সংকেত: ১। মাটির পাত্রে রঙ দিয়ে মনের মতাে করে নকশা তৈরি, ২। কাগজে নকশা অঙ্কন, ৩। কাগজের বা অন্য উপজকরণে হাত পাখা তৈরি, ৪। মনের মতাে যে কোনাে উপাদান, ৫। যেকোনাে উৎস্য ব্যবহার করে ধারণা নেয়া যেতে পারে।

নির্দেশনাঃ যে কোনাে আকারের মাটির পাত্রে বিভিন্ন রঙ ব্যবহার করে নকশা করা যাবে এবং সহজলভ্য মাটির পাত্র, সহজলভ্য রঙ ব্যবহার করা যাবে।

যে কোনাে কাগজে যে কোনাে নকশা করা যাবে (যে কোনাে মাধ্যমের রঙ ব্যবহার করা যাবে)। সহজলভ্য রঙ ব্যবহার করা যাবে। প্রস্তুতকৃত উপাদানটি সহজে পরিবহণযােগ্য, জমাদানের উপযােগী হতে হবে।

৬ষ্ঠ শ্রেণি ৮ম সপ্তাহের চারু ও কারুকলা অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর

৬ষ্ঠ শ্রেণি ৮ম সপ্তাহের চারু ও কারুকলা অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর

বাঙালির জীবনসম্পৃক্ত বিবিধ শৌখিন শিল্পোপকরণের মধ্যে শখের হাঁড়ি অন্যতম। এর রং, নকশা, মোটিফ এবং স্টাইলের মাঝে খুঁজে পাওয়া যায় চিরায়ত বাঙালি মানসের হারিয়ে যাওয়া আদিমতম ইতিহাসের স্মারক।পণ্য হিসেবে বাংলার শখের হাঁড়ির ঐতিহ্য অনেক পুরনো।

উৎসবপ্রিয় বাঙালির প্রতিদিনের জীবন, ধর্ম-সংস্কৃতি, আনন্দ-বেদনা এবং চিন্তার সাথে শখের হাঁড়ি একাকার হয়ে আছে। বাংলাদেশের গ্রামীণ অঞ্চলভেদে মাটির তৈরি পাত্রের নানা বৈচিত্র্য ও বৈশিষ্ট্য গড়নে, অলংকরণে ও আকারে লক্ষণীয়।

শখের হাঁড়িতে রং করার জন্য প্রথমে তেতুলের বিচি ভেজে উপরের লাল খোসা ফেলে দিয়ে তা পানিতে ভিজিয়ে ছেঁচে জ্বাল দিয়ে আঠা বের করা হয়। ঐ আঠাতে চক পাউডার দিয়ে হাঁড়িতে প্রলেপ দেওয়া হয়।

এইভাবে দুইবার প্রলেপ দিতে হয়। তারপরে পিউরী (হলুদ রং) তেতুলের বিচির আঠা দিয়ে আরেক বার প্রলেপ দিতে হয়। তারপর রং অর্থাৎ নকশা করা; (যেমন নীল, গেরীমাটি, সবুজ) ইত্যাদি রং তেতুল বিচির আঠা দিয়ে রং, নকশা করতে হয়।

লাল বা খুনি রং দুধ দিয়ে গুলিয়ে রং করতে হয়। এই রং ছাগলের ঘাড়ের একগুচ্ছো চুল পানিতে ভিজিয়ে হাতের মুঠে নিয়ে ছুচালো হয়েছে কিনা নিশ্চিত হয়ে কেটে তা বাঁশের কঞ্চিতে চিকন করে তার মধ্যে গোড়ার অংশটা সুতা দিয়ে তুলির মত করে বেঁধে সেই তুলি দিয়ে রঙের কাজ হয়।

বর্তমানে চকচকে করার জন্য রং দেওয়ার পর বার্নিশ, রজন, চাঁচ ইত্যাদির প্রলেপ দেওয়া হয়।” আগে মাছ, পাখি, হাতি, ঘোড়া, ফুল, বিভিন্ন রকম ফুল, পাতা, চিরুনী ইত্যাদির নকশা প্রচলিত ছিল। বর্তমানে অনেক রকম ফল, ফুল, ইত্যাদি নতুন নকশা করা হয়। আগে মাছ, কাঁটা, ফুল ও দলের নকশা বেশি ব্যবহৃত হতো।

বর্তমানে সেগুলো ছাড়াও অনেক রকমের ফল, ফুলের নকশা তৈরি করে। প্রকৃতি থেকে দেখেই নকশা হাঁড়িতে তুলি করা হয়।

জনৈক শিল্পী জানান, “গৌরীর বিয়ের সময়ে পালের সৃষ্ট, তখন থেকে নকশা ব্যবহৃত হয়। আগে রং ছিলনা। সে সময় আতপ চালকে পিসে পানি দিয়ে গুলিয়ে হাঁড়িতে বা ঘটে রঙ্গের প্রলেপ দেওয়া হতো। তারপর তিনটা সিদুরের ফোটা দিতো, তিনটা চন্দনের ফোটা দিত। পরে রঙের ব্যবহার হয়।

এই ছিল তোমাদের ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৮ম সপ্তাহের চারু ও কারুকলা অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর। 

প্রতি সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এবং বাংলা নোটিশ ডটকমের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। নিয়মিত অ্যাসাইনমেন্ট ডাউনলোড করার জন্য  BanglaNotice.com, SoftDows.com এবং dshe.gov.bd এর ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। সেইসাথে এসাইনমেন্ট সংক্রান্ত সকল আপডেট সবার আগে পাওয়ার জন্য বাংলা নোটিশ এর ফেসবুক পেজটি লাইক এবং ফলো করে রাখুন।

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ