চিকিৎসা

হাম-রুবেল টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০ এ সহযোগিতার জন্য শিক্ষকদের নির্দেশ

হাম-রুবেল টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০ এ সহযোগিতার জন্য শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছে মাউশি। অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ০৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষকদের হাম-রুবেল টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০ এ সহযোগিতার জন্য হাম-রুবেল টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০ এ সহযোগিতার জন্য শিক্ষকদের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

উপ-পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন)  মাে: রুহুল মমিন স্বাক্ষরিত স্মারক নং: ৩৭.০২.০০০০.১০১.১৮.০০১.২০১৯- ১৩৪৯৭৯ তে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়-

জাতীয় হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২০ কার্যক্রমে সর্বাত্মকভাবে সহযােগীতা সংক্রান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সমন্বয় শাখার ২৬/১১/২০২০ তারিখের নং৩৭.০০.০০০০.০০০.১৬.০০৫.১৬.৪৪০ স্মারকপত্রের নির্দেশনা মােতাবেক প্রয়ােজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অত্র অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশক্রমে অনুরােধ করা হলাে (কপি সংযুক্ত);

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এর ২৬ নভেম্বর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়-

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ সচিব মহােদয়ের আধা-সরকারি পত্র নং-৪৫.০০.০০০০.১৭১.৭০. ০০১.২০/৪১৩, তারিখ: ১৮ নভেম্বর ২০১০।

উপযুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় হতে প্রাপ্ত আধা-সরকারি পত্রে বর্ণিত আসন্ন হাম-রুবেল টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২০ সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণকে সর্বাত্মকভাবে সহযােগিতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্রয়ােজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরােধ করা হলাে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়-

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়-এর অধীন সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) ১৯৭৯ সাল থেকে শিশুদের বিভিন্ন সংক্রামক রোগজনিত মৃত্যু ও পঙ্গুত্বের হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে।

ইপিআই-এর অন্যন্য লক্ষ্যসমূহের মধ্যে ২০২২ সাল নাগাদ জাতীয় পর্যায়ে হাম- রুবেলা (এমআর) টিকার কভারেজ শতকরা ৯৫ ভাগে উন্নীতকরণ এবং ২০২৩ সাল নাগাদ হাম-রুবেলা দূরীকরণ অবস্থা অর্জন অন্যতম।

হাম-রুবেলা রােগ ও এর জটিলতা থেকে রক্ষা পাবার সর্বোৎকৃষ্ট উপায় হল সঠিক সময়ে শিশুকে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা প্রদান করা।

নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে শিশুদেরকে ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে মােট ২ ডােজ এমআর টিকা প্রদান করা হয়ে থাকে।

হাম নিমূল ও রুবেলা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকার ৯ মাস থেকে ১০ বছরের নিচের সকল শিশুকে ১ ডােজ এমআর টিকা প্রদানের উদ্দেশ্যে আগামী ০৫ ডিসেম্বর-২০২০ থেকে ১৪ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ (১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ থেকে ৩০ পৌষ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ) ৬ সপ্তাহব্যাপী “হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন- ২০১০” পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

উক্ত ক্যাম্পেইন চলাকালে সারাদেশে ৯ মাস থেকে ১০ বছরের নিচের প্রায় ৩ কোটি ৪০ লক্ষ শিশুকে ১ ডােজ এমআর টিকা প্রদান করা হবে।

উল্লেখ্য যে, চলমান কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারি বিবেচনা করে দেশে বিদ্যমান শারীরিক দূরত্ব বজায়, মাস্ক পরিধান, হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার পালন ও সঠিক পদ্ধতিতে হাত ধােয়া ইত্যাদি স্বাস্থ্য সুরক্ষামূলক নিয়মাবলীর যথাযথ প্রতিপালন সাপেক্ষে ক্যাম্পেইনটি পরিচালিত হবে।

আসন্ন “হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২০” সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কাজ যেমন টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা প্রদান, সম্মানিত শিক্ষকগণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের টিকা গ্রহণ নি স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করতে অভিভাবকগণকে উদ্বুদ্ধকরণের নিমিত্ত জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণের মাধ্যমে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা একান্ত প্রয়ােজন।

অতএব, আসন্ন জাতীয় হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন- ২০২০ সার্বিকভাবে সফল করতে আপনার অধীন সকল কর্মকর্তাকে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই কার্যক্রমে সর্বাত্মকভাবে সহযােগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়ােজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য আন্তরিকভাবে অনুরােধ করছি।

বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড করুন

আপনার জন্য আরও কিছু তথ্য:

দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিসহ শিক্ষা, চাকুরি, প্রশিক্ষণ, বৃত্তি ও দেশ-বিদেশের অফিসিয়াল তথ্য সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজটি Like & Follow করে রাখুন।

চাকুরি ও বিজ্ঞপ্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে নিজস্ব মতামত ও সহযোগিতা পেতে ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন। YouTube চ্যানেল Subscribe করে রাখুন।

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ