নিউজ

সাধুরীতির কয়েকটি বৈশিষ্ট্য সর্বনাম, অব্যয় পদ, তৎসম শব্দের উদাহরণ

সুপ্রিয় বন্ধুরা, আজকের আলোচনায় সাধুরীতির কয়েকটি বৈশিষ্ট্য, সর্বনাম, ক্রিয়া, অব্যয় পদ ও তৎসম শব্দের উদাহরণ দেয়া হলো। এই অনুচ্ছেদ শেষে তোমরা সাধুরীতির কয়েকটি বৈশিষ্ট্য, সর্বনাম, অব্যয় পদ, তৎসম শব্দের উদাহরণ দিতে পারবে।

  • যৌক্তিকতা নিরূপণ :
  • নিচে উল্লেখিত অংশটি সাধুরীতিতে রচিত।
  • উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে তার যৌক্তিকতা তুলে ধরো।

‘সংবাদ পাইলাম, কাবুলিওয়ালার সহিত মিনির এই যে দ্বিতীয় সাক্ষাৎ তাহা নহে, ইতোমধ্যে সে প্রায় প্রত্যহ আসিয়া পেস্তা বাদাম ঘুষ দিয়া মিনির ক্ষুদ্র হৃদয়টুকু অনেকটা অধিকার করিয়া লইয়াছে।’

সাধুরীতির পাঁচটি বৈশিষ্ট্য হলো-

  1. সাধু ভাষারীতি সর্বজনগ্রাহ্য লেখার ভাষা।
  2. এ ভাষারীতি সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে।
  3. সাধু ভাষারীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া, অব্যয় ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।
  4. এ ভাষা গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যপূর্ণ।
  5. এ ভাষা অপেক্ষাকৃত দুর্বোধ্য এবং এর গতি মন্থর।

উল্লিখিত পাঠে-

  • সর্বনাম পদঃ- এই, তাহা, সে।
  • ক্রিয়া পদঃ- পাইলাম, আসিয়া, ঘুষ দিয়া, করিয়া, লইয়াছে।
  • অব্যয় পদঃ- যে।
  • তৎসম শব্দঃ- সাক্ষাৎ, সহিত, প্রত্যহ ইত্যাদি।

সাধুরীতির কয়েকটি বৈশিষ্ট্য সর্বনাম, অব্যয় পদ, তৎসম শব্দের উদাহরণ

যৌক্তিকতা ও উপসংহার-

উপরে উল্লেখিত অংশটি সাধু রীতিতে রচিত। কারণ, আমরা জানি সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ। যেমন- তাহা, পাইলাম, আসিয়া, ঘুষ দিয়া, করিয়া, লইয়াছে ইত্যাদি। উল্লিখিত অংশটি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের অনুসারী। সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য থেকে বলা যায়, উপরে উল্লেখিত অংশটি সাধু রীতিতে রচিত।

আরো দেখুন-

ইউটিউবে সর্বশেষ আপডেট পেতে বাংলা নোটিশ ডট কম এর ইউটিউব চ্যানেলটি Subscribe করে রাখুন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের যেকোন বিজ্ঞপ্তি, খবর, নোটিশ ও জাতীয় রাজনৈতিক বিষয়ে লেখা প্রকাশ করতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দেশের অন্যতম প্রিয় অনলাইন পোর্টাল সর্বদাই সত্য ও বস্তুনির্ভর তথ্য প্রকাশে বদ্ধপরিকর। আপনার যেকোন অভিযোগ আপত্তি ও পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করা হবে।

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ