নিউজ

বেসরকারি শিক্ষকদের দাবি সরকারি নিয়মে উৎসব ভাতা! ঈদের আগে – বাংলা নোটিশ

ঈদুল ফিতরের আগেই সরকারি নিয়মে উৎসব ভাতা চান বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।

২০০৪ সালে দীর্ঘ আন্দোলনের পর সরকার প্রথমবারের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ঈদ বোনাস চালু করে। তৎকালীন সময়ে থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত ২০০৪ সালের নিয়মেই শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। অদ্যাবধি কোন প্রকার পরিবর্তন আনা হয়নি।

বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর গ্রহণ মূল বেতনের ৫০ শতাংশ উৎসব বোনাস পান।

বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম রনি ও মহাসচিব মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম পৃন্স স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের মত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ বোনাস এর দাবি জানানো হয়।

ঈদ উৎসবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক দুঃখ-দুর্দশার কথা উল্লেখ করে প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে কর্মচারীদের 50% ঈদ বোনাস দেওয়ার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষক নেতারা।

সরকারি স্কুলের কর্মরত শিক্ষক কর্মচারীর গান শতভাগ বোনাস পেয়ে থাকেন কিন্তু একই সিলেবাস এবং এক দান করেও 25% উৎসব ভাতা পায় বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নেতারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কে বারবার ঈদ বোনাস পরিবর্তনের দাবির কথা বলা হলেও তিনি কোনো ভূমিকা পালন করেন না। হতাশা নিজেরা শতভাগ ঈদ বোনাস উত্তোলন করেন মর্মে উল্লেখ করা হয়।

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ