নিউজ

শিক্ষার্থীদের বিকাশ একাউন্ট সংক্রান্ত বিষয়ে মাউশির জরুরি নির্দেশনা

শিক্ষার্থীদের বিকাশ একাউন্ট সংক্রান্ত: মাধ্যমিক স্কুল কলেজে অধ্যায়নরত উপবৃত্তি ধারী শিক্ষার্থীদের বিকাশ একাউন্ট সম্পর্কে জরুরি নির্দেশনা প্রদান করেছে মাউশি; শিক্ষার্থীদের বিকাশ একাউন্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে; 

১৭ আগস্ট ২০২০ মাউশির ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তিতে উপবৃত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

উপবৃত্তি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য বিকাশ কেয়ার ও সেন্টারে যোগাযোগকরণ প্রসঙ্গে ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিটি হলো-

উপর্যুক্ত বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম SEDF এর আওতায় সমন্ষিত উপবৃত্তি কর্মসূচি (HSP) এর আওতায় উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিম্নলিখিত তথ্যাদির বিষয়ে বিকাশ কেয়ার এন্ড সেন্টারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো; 

১. পিন রিসেট :

বিকাশ পিন নম্বর ভুলে গেলে/পিন নম্বর ব্লক হয়ে গেলে ।

২. ব্যালেন্স ট্রাসফার :

কোন কারণে টাকা উত্তোলণ করতে না পারলে অনা কোন নতুন একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করার জনা আগের জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর এবং শিক্ষার্থীর আইডি নম্বর ঠিক থাকতে হবে (তথ্য হালনাগাদ, ব্যালেন্স ট্রান্সফার, ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে প্রত্যয়ন পত্র আনতে হবে এবং সাথে পূর্বের একাউন্ট নম্বর ও অভিভাবকের মূল জাতীয় পরিচয়পত্রসহ অভিভাবককে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে)

৩. সিমধারী ব্যক্তির মৃতাজনিত/সিম হারানো/সিম নষ্ট/অন্যান্য কারণ:

উল্লেখিত কারণে তথ্য হালনাগাদের মাধ্যমে নতুন একাউন্ট করতে হবে। বিকাশ কেয়ার ও সেন্টারের ঠিকানা উপজেলা মাধামিক শিক্ষা কর্মকর্তার ই-মেইলে প্রেরণ করা হবে। 

মাধ্যমিক পর্যায়ের উপবৃত্তির জন্য hsp.sstipend@gmail.com মেইলে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। 

বিকাশ একাউন্ট সংক্রান্ত এই নির্দেশনাটি প্রদান করেছেন

(শরীফ মোর্তজা মামুন), স্কীম পরিচালক

বিজ্ঞপ্তিটি ডাউনলোড করুন

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Related Articles

2 Comments

  1. উপবৃত্তি প্রাপ্ত ৭ম শ্রেনীর একজন ছাত্রী মাসে বা বছরে কত টাকা পায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ