নিউজ

গ্রিক ও রোমান সভ্যতার তুলনামূলক চিত্র ও বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতিতে অবদান

এসএসসি ২০২১ এর মানবিক বিভাগের সুপ্রিয় পরীক্ষার্থী বন্ধুরা, তোমাদের জন্য প্রণীত এসএসসি পরীক্ষা ২০২১ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৪র্থ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট এর বাছাইকরা নমুনা উত্তর (গ্রিক ও রোমান সভ্যতার তুলনামূলক চিত্র ও বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতিতে অবদান) প্রণয়ন করা হয়েছে। তোমরা যারা সরকারি, বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২১ পরীক্ষার্থী আছো তোমাদের ৪র্থ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বিষয়ের একটি নির্ধারিত কাজ দেয়া হয়েছিল। যথাযথ মূল্যায়ন নির্দেশনা অনুসরণ করে তোমাদের জন্য ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৪র্থ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট  এর বাছাইকরা নমুনা উত্তর দেওয়া হল।

এসএসসি পরীক্ষা ২০২১ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৪র্থ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট

২০২১ সালে মানবিক শাখা থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের কিছু শিক্ষার্থীদের জন্য চতুর্থ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। ১০ আগস্ট মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এসএসসি ২০২১ চতুর্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট মানবিক শিক্ষা প্রকাশ করা হয়।

বাংলা নোটিশ ডটকমের পাঠকদের জন্য ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রকাশিত ৪র্থ সপ্তাহের মানবিক শাখার এসাইনমেন্ট এর বিষয় সমূহ সমাধান খোসাসহ নির্দেশিকা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

গ্রিকসভ্যতা ও রোমান সভ্যতার তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপনপূর্বক বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতিতে উভয় সভ্যতার অবদান মূল্যায়ন।

নির্দেশনা (সংকেত/পরিধি/ধাপ) :

  • গ্রীক সভ্যতা ও রোমান সভ্যতার পটভূমি ব্যাখ্যা; 
  • ভৌগলিক অবস্থান ও সময়কালের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য ছকে উপস্থাপন; 
  • শিক্ষা, সাহিত্য ও দর্শনের গ্রিক ও রোমান সভ্যতার তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য উপস্থাপন; 
  • স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও বিজ্ঞানে সভ্যতা দুটোর অগ্রগতির চিত্র উপস্থাপন। 

উত্তর পড়ুন-

গ্রিক ও রোমান সভ্যতার তুলনামূলক চিত্র ও বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতিতে অবদান

আধুনিক বিশ্ব গ্রীক সভ্যতার কাছে বিভিন্নভাবে ঋণী। এথেন্স রাজনৈতিক উৎকর্ষ সাধনে অগ্রজের ভূমিকা পালন করেছে। সর্বসাধারণের মত প্রকাশের সুযোগ দিলে যে রাষ্ট্রের কল্যান হয়, তা গ্রীক সভ্যতার প্রমাণিত। এছাড়া দর্শন বিজ্ঞান ভাস্কর্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে গ্রীকদের অবদান অবিনশ্বর। বিশ্ববাসীর যত সভ্যতার স্বর্ণ শিখরে আরোহন করুক না কেন, শিকড়ের সন্ধান খুঁজতে গিয়ে গ্রীক সভ্যতায় অবশ্যই যেতে হবে। গ্রীষ্মের অলিম্পিক খেলা সরাসরি আধুনিক বিশ্ব কর্তৃক গৃহীত হয়েছে। তেমনিভাবে রোমান সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদান নিদর্শন কলাকৌশল চিন্তা ধারা আজও বিলুপ্ত হয়নি। রোমান সাহিত্য মধ্যযুগের ইউরোপ জ্ঞানচর্চার পুনরুজ্জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এভাবেই রোমান সভ্যতা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সব দেশের নানাভাবে অনুপ্রবেশ ঘটে। সামগ্রিক বিবেচনায় বলা যায়, সভ্যতায় রোমানদের অবদান ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রীক সভ্যতা ও রোমান সভ্যতার পটভূমি: 

গ্রীক সভ্যতার পটভূমি-

ইউরোপ মহাদেশের গ্রিক রাষ্ট্রের অন্তর্গত প্রাচীন কয়েকটি শহরকে কেন্দ্র করে গ্রীক সভ্যতার উদ্ভব ঘটে।বলকান উপকূলের দক্ষিণাংশ অবস্থিত গ্রিক প্রায় পাচঁ হাজার বর্গমাইল ব্যাপী বিস্তৃত। ভূ-প্রকৃতি এই দেশটিকে তিনভাগে বিভক্ত করে দিয়েছে,দক্ষিণ গ্রীস, মধ্য গ্রীস ও উত্তর গ্রীস। মেসিডোনিয়ান অধিপতি আলেকজান্ডারের শাসনা মলে সভ্যতা সীমা ছাড়িয়ে আধুনিক মিশর, ইসরাইল,ফিলিস্তিন, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইরান হয়ে ভারত বর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল।আড্রিয়াটিক সাগর, ভূমধ্যসাগর, ইজিয়ান সাগর দ্বারা বেষ্টিত থাকার কারণে গ্রিক সভ্যতা কে ওসিনিয়ান( সাগরীয়) সভ্যতা বলা হয়। অপরদিকে মিশর, ব্যাবিলন সভ্যতা ছিল নদীকেন্দ্রিক সভ্যতা।

রোমান সভ্যতার পটভূমি-

গ্রীক সভ্যতার সমসাময়িক রোমান সভ্যতা হেলেনিক ও হেলেনিস্টিক সভ্যতার অনেক সংস্কৃতি গ্রহণ করেছে। রাজা রোমুলাস এর নামানুসারে রোম নগরীর নামকরণ করা হয় । এ সময় একটি সভা ও সিনেট ছিল। রাজা স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ৫১০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ রােমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। টাইবার নদীর তীরে অবস্থিত প্রাচীন রোমান নগরীকে ‘বিশ্বের রাজধানী’ বলা হয়। কারণ রোমনগরীর সঙ্গে ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশের বিস্তৃত যোগাযোগ ছিল। রোমিও সমাজ ও সংস্কৃতির প্রভাব ভূমধ্যসাগরের অঞ্চলসহ উত্তর ব্রিটেন, জার্মানি, পূর্বে মেসোপটেমিয়া এবং দক্ষিনে মিশর ও লিবিয়া এ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। গ্রিসের সভ্যতার অবসানের আগেই ইতালিতে টাইবার নদীর তীরে একটি বিশাল সাম্রাজ্য ও সভ্যতা গড়ে ওঠে। রােমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা রোমান সভ্যতা নামে পরিচিত। রোমান সভ্যতা প্রায় ছয়শ’ বছর স্থায়ী হয়েছিল।

ভৌগলিক অবস্থান ও সময়কালের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য ছকে উপস্থাপন:

 

সাদৃশ্য

বৈসাদৃশ্য

ভৌগলিক অবস্থান এ মিল রয়েছে। গ্রীক মূলত একটি পর্বতময় দ্বীপ-রাষ্ট্র;

রোম ছিল নগর-রাষ্ট্র।

ভূমধ্যসাগর দ্বারা পরিবেষ্টিত। ১৩০০-১২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে গ্রীকের সূচনা হয়;

৭৫৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে রোম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয়।

আড্রিয়াটিক সাগর দ্বারা পরিবেষ্টিত। ৩৩৮ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে গ্রীকের পতন হয়;

৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দে রোমান সম্রাজ্যের পতন হয়।

 

শিক্ষা, সাহিত্য ও দর্শনের গ্রিক ও রোমান সভ্যতার তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য উপস্থাপন:

পৃথিবী সৃষ্টির আদি থেকে নানা উত্থান-পতনের মানব সভ্যতা আজ এই পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। আর এ কারণে মানব সভ্যতার বিকাশ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সময়ে ঘটেছে। 

গ্রীক সভ্যতা:

পৃথিবীব্যাপী সভ্যতার ইতিহাসে গ্রীক দর্শন গোটা বিশ্ব দর্শন ও সভ্যতাকে প্রভাবিত করেছে।অদ্যাবধি জ্ঞানের জগতে যে সকল গ্রিক কবি দার্শনিক জ্ঞানের আলোকে বর্তিকা বিতরণ করেছেন তাদের মধ্যে বিশ্ব বিখ্যাত শিক্ষাগুরু সক্রেটিস। সক্রেটিসের ছাত্র প্লেটো ও প্লেটো এর ছাত্র এরিস্টোটল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।গ্রীক দার্শনিকদের যুক্তি,ব্যাখ্যা ও দর্শন জগতকে সমৃদ্ধশালী করে। সকল যুক্তি বাদী দার্শনিকদের সফিস্ট বলা হয়।

গ্রীক দর্শনে অন্যতম দার্শনিক সক্রেটিস নিজের সত্য প্রকাশে অনড় থেকে শাসকের নির্দেশে বিষপান করে মৃত্যুবরণ করেন । তার বিখ্যাত উক্তি ‘নিজেকে জানো ‘। তার শিষ্য প্লেটো এবং প্লেটো শিষ্য অ্যারিস্টোটলের সর্বকালের বিখ্যাত দার্শনিক ছিলেন। প্লেটোর বিখ্যাত গ্রন্থ সিম্পোজিয়াম রিপাবলিক এবং লজ প্রভৃতি।এরিস্টটলের বিখ্যাত গ্রন্থ লজিক, ফিজিকস এবং পলিটিক্স। পলিটিক্স গ্রন্থে রাজনীতি, গণতন্ত্র বিষয়ে মতামত তুলে ধরা হয়েছে। প্লেটোর বিখ্যাত গ্রন্থ দি রিপাবলিক। আর বিশ্ববিজেত্য আলেকজান্ডার নিজেও একজন দার্শনিক ও জ্ঞানী ব্যক্তি ছিলেন। তার শিক্ষক ছিলেন দার্শনিক প্লেটো।

গ্রিক ও রোমান সভ্যতার তুলনামূলক চিত্র ও বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতিতে অবদান

হোমারের যুগে গ্রিক সাহিত্যের চূড়ান্ত বিকাশ ঘটে। হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াড ও ওডিসি তে গ্রীকদের বীরত্বের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। হোমারিকযুগের পরে গ্রিক সমাজে গীতিকাব্য ও শোক গাথার আবির্ভাব ঘটে। এই সকল শোক গাথায় ব্যক্তিগত প্রণয় কাহিনীর বিবরণ রয়েছে। সোলোন ছিলেন একজন বিখ্যাত গীতিকাব্য রচয়িতা। এছাড়া বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন এসকাইলাস, সোফোক্লিস, ইউরিপিডিস প্রমুখ। বিজ্ঞান সাধনায় হেলেনিস্টিক যুগেও অসাধারণ উৎকর্ষ সাধিত হয়। সেসময় ইতিহাস গবেষণায় পলিবিয়াস, জ্যোতির্বিদ্যায় অ্যারিস্টোটল ও হিপারকাস, গণিতে বিখ্যাত পিথাগোরাস ও ইউক্লিড প্রমুখ মুনিষীগণ জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

রোমান সভ্যতা:

সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় রোমানরা গ্রিকদের অনুকরণে রচনা করেন। প্লুটাক(২৫৪-১৮৪খ্রিস্টপূর্ব) ১২ টি নাটকের মাধ্যমে রোমের আচরণ ও কৃষ্টির আলোকপাত করেন। রোমিও সাহিত্যে নাটকের ভূমিকা ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। গীতিকাব্যকার ক্যাটুলাস ছিলেন খুবই জনপ্রিয়। এছাড়া সিসিরো এবং ভার্জিল সাহিত্যচর্চায় খ্যাতি অর্জন করেন।

রোমানরা দর্শনের ক্ষেত্রেও গ্রিক প্রভাব মুক্ত হতে পারেনি। গ্রীক দর্শন এর উপর ভিত্তি করে রোমান দর্শনের সূত্রপাত। বিশ্ব সভ্যতার রোমান দার্শনিকদের অবদান অপরিসীম। পশ্চিমের সক্রেটিস নামে কেটো খ্যাত ছিলেন আদি রোমান দার্শনিক।তার মতে, গ্রীক সভ্যতা নয়, রোমান সভ্যতাই সভ্য পৃথিবীতে প্রাধান্য বিস্তার করবে ।তিনি সক্রেটিসের নয় যুক্তি জ্ঞান ও নৈতিকতা শৃঙ্খলা ভক্ত ছিলেন।

স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও বিজ্ঞানে সভ্যতা দুটোর অগ্রগতির চিত্র উপস্থাপন:

গ্রীকের অগ্রগতি-

গ্রীকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চার সূত্রপাত করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।  পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অংকন করেন গ্রীক বিজ্ঞানীরা। তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়। গ্রীক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন। চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই। বজ্র ও বিদ্যুতের কারণে নয়, প্রাকৃতিক কারণে ঘটে এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন। জ্যামিতির পন্ডিত ইউক্লিড পদার্থবিদ্যায়ও পারদর্শী ছিলেন। বিখ্যাত গণিতবিদ পিথাগোরাস, চিকিৎসাবিজ্ঞানী হিপোক্রেটসের যথেষ্ট খ্যাতি ছিল।

গ্রীক শিল্পের বিশেষ করে স্থাপত্য ও ভাস্কর্য বিশেষ উন্নতি হয়েছিল। গ্রীক চিত্র শিল্পের নিদর্শন মৃৎপাত্রতে আঁকা চিত্রের মাধ্যমে দেখা যায়। স্থাপত্যের সুন্দর সুন্দর নিদর্শন বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে আছে। বড় বড় স্তম্ভের উপর তারা প্রাসাদ তৈরি করত। আর প্রাসাদের স্তম্ভগুলো অপূর্ব কারুকার্যখচিত থাকতো। পার্থেনন মন্দির বা দেবী এথেনার মন্দির স্থাপত্য কীর্তির অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। এথেন্সের স্থাপত্যের নিদর্শন এর ভগ্নাবশেষ এখনো চোখে পড়ে। গ্রিক ভাস্কর্য পৃথিবীর শিল্পকলার ইতিহাসে এক স্বর্ণযুগের জন্ম দিয়েছিল। সে যুগের প্রখ্যাত ভাস্ক শিল্পী ছিল মাইরন, ফিডিয়াস ও প্রাকসিটেলেস।

রোমানের অগ্রগতি-

রোম শিল্প, সাহিত্য, দর্শন, স্থাপত্য সর্বক্ষেত্রে গ্রিকদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল। তারা এইসব বিষয়ে গ্রিকদের অনুসরণ ও অনুকরণ করেছে। রোমান স্থাপত্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল এর বিশালতা। সম্রাট হাড্রিয়ান এর তৈরি ধর্ম মন্দির প্যান্থিয়ন রোমানদের স্থাপত্যের এক অসাধারণ নিদর্শন। ৮০ খ্রিস্টাব্দ রোমান সম্রাট টিটাস কর্তৃক নির্মিত কলোসিয়াম নাট্যশালা ছিল যেখানে একসঙ্গে 5610 বসতে পারতো স্থাপত্যকলার পাশাপাশি রোমিও ভাস্কর্যের চরম উৎকর্ষ সাধিত হয়েছিল। রোমিও ভাস্করগণ দেবদেবী, সম্রাট, দৈত্য, পুরাণের বিভিন্ন চরিত্রের মূর্তি তৈরি করতেন মার্বেল পাথরের।

বিজ্ঞানে রোমানরা তেমন কোন অবদান রাখতে না পারলেও বিজ্ঞানীদের মধ্যে কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হন। এদের মধ্যে বড় প্লিনি বিজ্ঞান সম্পর্কে বিশ্বকোষ প্রণয়ন করেন। এতে প্রায় ৫০০ বিজ্ঞানীর গবেষণাকর্ম স্থান পেয়েছে। তাছাড়া চিকিৎসা বিজ্ঞানের রোমনীয়দের অবদান ছিল। বিজ্ঞানী chelsea’s চিকিৎসা বিজ্ঞানের উপর বই লেখেন। তাছাড়া চিকিৎসাশাস্ত্রে গ্যালেন রুফাসে অসামান্য অবদান রেখেছেন।

এই ছিল তোমাদের জন্য প্রণীত এসএসসি পরীক্ষা ২০২১ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৪র্থ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট এর বাছাইকরা নমুনা উত্তর (গ্রিক ও রোমান সভ্যতার তুলনামূলক চিত্র ও বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতিতে অবদান)।

আরো দেখুন-

প্রতি সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এবং বাংলা নোটিশ ডটকমের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। নিয়মিত অ্যাসাইনমেন্ট ডাউনলোড করার জন্য  BanglaNotice.com, SoftDows.com এবং dshe.gov.bd এর ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। সেইসাথে এসাইনমেন্ট সংক্রান্ত সকল আপডেট সবার আগে পাওয়ার জন্য বাংলার নোটিশ এর ফেসবুক পেজটি লাইক এবং ফলো করে রাখুন।

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ