সর্বশেষ আপটেড

“মানব জীবনে ইতিহাস” শীর্ষক প্রবন্ধ (৩০০ শব্দের মধ্যে)

এসএসসি ২০২১ এর সুপ্রিয় পরীক্ষার্থী বন্ধুরা তোমাদের জন্য প্রণীত এসএসসি পরীক্ষা ২০২১ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ১ম এ্যাসাইনমেন্ট এর বাছাইকরা উত্তর (“মানব জীবনে ইতিহাস” শীর্ষক প্রবন্ধ) প্রণয়ন করা হয়েছে। তোমরা যারা সরকারি, বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২১ পরীক্ষার্থী আছো তোমাদের ১ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বিষয়ের একটি নির্ধারিত কাজ দেয়া হয়েছিল। যথাযথ মূল্যায়ন নির্দেশনা অনুসরণ করে তোমাদের জন্য বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ১ম এ্যাসাইনমেন্ট এর বাছাইকরা নমুনা উত্তর দেওয়া হল।

এসএসসি পরীক্ষা ২০২১ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ১ম এ্যাসাইনমেন্ট এর বাছাইকরা উত্তর

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং বিষয় থেকে একটি করে নির্ধারিত কাজ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে মানবিক বিভাগের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ২০২১ সালের অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রথম সপ্তাহের নির্ধারিত বিষয়সমূহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করে অথবা অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে যথা নিয়মে সম্পন্ন করার পর সংশ্লিষ্ট বিষয় শিক্ষকের নিকট জমা দিতে হবে। এখানে ২০২১ এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রথম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টে মানবিক বিভাগের বিষয় সমূহের অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হলো।

এসএসসি পরীক্ষা ২০২১ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ১ম এ্যাসাইনমেন্ট

দেশের সকল সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ২০২১ সালের মানবিক বিভাগের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা পাঠ্যবই থেকে মোট ১৬ নম্বর এর একটি অ্যাসাইনমেন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বিষয়ের ১ নং অ্যাসাইনমেন্ট নেয়া হয়েছে পাঠ্যবইয়ের প্রথম অধ্যায় ইতিহাস পরিচিতি থেকে। নিচের ছবিতে মানবিক বিভাগের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট বিস্তারিত উল্লেখ করা হলো।

স্তরঃ এস.এস.সি পরীক্ষা ২০২১, বিভাগঃ মানবিক, বিষয়ঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বিষয় কোডঃ ১৫৩, মোট নম্বরঃ ১৬, অ্যাসাইনমেন্ট নম্বর-০১

প্রথম অধ্যায়: ইতিহাস পরিচিতি

অ্যাসাইনমেন্টঃ “মানব জীবনে ইতিহাস” শীর্ষক প্রবন্ধ (৩০০ শব্দের মধ্যে)

শিখনফল/ বিষয়বস্তুঃ

  • ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারণা, স্বরূপ ও পরিসর ব্যাখ্যা করতে পারবে;
  • ইতিহাসের উপাদান ও প্রকারভেদ বর্ণনা করতে পারবে;
  • ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি আগ্রহী হবে;

নির্দেশনা (সংকেত/ধাপ/পরিধি): ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ব্যাখ্যা ইতিহাস রচনার উপকরণ (লিখিত ও অলিখিত), প্রকারভেদ ব্যাখ্যা ইতিহাসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা; মানবজীবনে ইতিহাস চর্চার প্রয়ােজনীয়তা বিশ্লেষণ;

এসএসসি পরীক্ষা ২০২১ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ১ম এ্যাসাইনমেন্ট এর বাছাইকরা উত্তর

ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারণাঃ

ইতিহাস শব্দটির উৎপত্তি ‘ইতিহ’ শব্দ থেকে। যার অর্থ ঐতিহ্য।ঐতিহ্য হচ্ছে অতীতের অভ্যাস, শিক্ষা, ভাষা শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি যা ভবিষ্যতে জন্য সংরক্ষিত থাকে।

এই ঐতিহ্যকে এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয় ইতিহাস।
ই.এইচ. কার -এর ভাষায় বলা যায়ঃ- ইতিহাস হলো বর্তমান ও অতীতের মধ্যে এক অন্তহীন সংলাপ।

মানব জীবনে ইতিহাস

বর্তমানের সকল বিষয়ে অতীতের পরিবর্তন ও অতীত ঐতিহ্যের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। আর অতীতের ক্রমবিবর্তন ও ঐতিহ্যের বস্তুনিষ্ঠ বিবরণ হলই ইতিহাস। তবে এখন বর্তমান সময়েরও ইতিহাস লেখা হয়,যাকে বলে সাম্প্রতিক ইতিহাস। সুতরাং ইতিহাসের পরিসর সুদূর অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিস্তৃত। গ্রিক শব্দ ‘হিস্টোরিয়া’ থেকে ইংরেজি হিস্টরি শব্দটির উৎপত্তি, যার বাংলা প্রতিশব্দ ইতিহাস। হিস্টোরিয়া শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডোটাস (খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতক) তিনি ‘ইতিহাসের জনক’ হিসেবে খ্যাত। তিনিই সর্বপ্রথম তার গবেষণা কর্মের নামকরণে এ শব্দটি ব্যবহার করেন, যার আভিধানিক অর্থ হল সত্যানুসন্ধান বা গবেষণা। তিনি বিশ্বাস করতেন ইতিহাস হল- যার সত্যিকার অর্থে ছিল বা সংঘটিত হয়েছিল তা অনুসন্ধান করা ও লেখা।

ইতিহাসের উপাদানঃ

যেসব তথ্য প্রমাণের উপর ভিত্তি করে ঐতিহাসিক সত্যকেও প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব,তাকেই ইতিহাসের উপাদান বলা হয়।ইতিহাসের উপাদান কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -১।লিখিত উপাদান ও ২।অলিখিত উপাদান।

  • লিখিত উপাদানঃ

ইতিহাস রচনার লিখিত উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাহিত্য, বৈদেশিক বিবরণ, দলিলপত্র ইত্যাদি।বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সাহিত্যকর্মে ও তৎকালীন সময়ের কিছু তথ্য পাওয়া যায়। যেমন-বেদ, কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র, কলহনের রাজতরঙ্গিনী, মিনহাজ উস সিরাজের তবকান্ত-ই-নাসিরী, আবুল ফজলের ‘আইন ই আকবরী’ ইত্যাদি। বিদেশি পর্যটকদের বিবরণ সবসময় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বলে বিবেচিত হয়েছে। যেমন- পঞ্চম থেকে সপ্তম শতকে বাংলায় আগত চৈনিক পরিব্রাজক যথাক্রমে ফা-হিয়েন ,হিউয়েন সাং ও ইৎসিং এর বর্ণনা। পরবর্তী সময়ে আফ্রিকান পরিব্রাজক ইবনে বতুতা সহ অন্যদের লেখাতেও এই অঞ্চল সম্পর্কে বিবরণ পাওয়া গেয়েছে। এসব বর্ণনা থেকে তৎকালীন সমাজ, অর্থনীতি, রাজনীতি, ধর্ম আচার অনুষ্ঠান সম্পর্কে অনেক তথ্য পাওয়া যায়।

  • অলিখিত বা প্রত্নতত্ত্ব উপাদানঃ

যেসব বস্তু বা উপাদান থেকে আমরা বিশেষ সময়, স্থান বা ব্যক্তি সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের ঐতিহাসিক তথ্য পায়, সেই বস্তু বা উপাদানই প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন। প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন সমূহ মূলত অলিখিত উপাদান। যেমন- মুদ্রা, শিলালিপি, তাম্রলিপি, ইমারত ইত্যাদি।এর সমস্ত প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিশ্লেষণ এর ফলে সেসময়ের অধিবাসীদের রাজনৈতিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। ধারণা করা সম্ভব প্রাচীন অধিবাসীদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।ধারণা করা সম্ভব প্রাচীন অধিবাসীদের সভ্যতা, ধর্ম, জীবনযাত্রা, নগরায়ন,নিত্য ব্যবহার্য জিনিসপত্র ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থা, কৃষি উপকরণ ইত্যাদি সম্পর্কে। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায়- সিন্ধু সভ্যতা, বাংলাদেশের মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর, ময়নামতি ইত্যাদি স্থানে প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন এর কথা।

ইতিহাসের প্রকারভেদঃ

মানব সমাজ সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন বিষয় ইতিহাস লেখা হচ্ছে। ফলে সম্প্রসারিত হচ্ছে ইতিহাসের পরিসর।তাছাড়া ইতিহাসের বিষয়বস্তুতে মানুষ, মানুষের সমাজ, সভ্যতা ও জীবনধারা পরস্পর সম্পৃক্ত এবং পরিপূরক। তারপরও গঠন-পাঠন, আলোচনা ও গবেষণা কর্মের সুবিধার্থে ইতিহাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১। ভৌগোলিক অবস্থানগত ও

২। অবস্তুগত ইতিহাস।

  • ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক বা ইতিহাসঃ যে বিষয়টি ইতিহাসে স্থান পেয়েছে তা কোন প্রেক্ষাপটে রচিত- স্থানীয়, জাতীয়,আন্তর্জাতিক অবস্থা বোঝার সুবিধার্থে ইতিহাসকে আবারো তিন ভাগে ভাগ করা যায়। ১স্থানীয় বা আঞ্চলিক ইতিহাস,২। জাতীয় ইতিহাস ও ৩।আন্তর্জাতিক ইতিহাস।

মানব জীবনে ইতিহাস

  • বিষয়বস্তুগত ইতিহাসঃ কোন বিশেষ বিষয়ের উপর ভিত্তি করে যে ইতিহাস রচিত হয়, তাকে বিষয়বস্তুগত ইতিহাস বলা হয়। ইতিহাসের বিষয়বস্তুর পরিসর ব্যাপক। সাধারণভাবে একে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
  1. রাজনৈতিক ইতিহাস,
  2. সামাজিক ইতিহাস,
  3. অর্থনৈতিক ইতিহাস,
  4. সংস্কৃতি ইতিহাস,
  5. সাম্প্রতিক ইতিহাস।

ইতিহাসের গুরুত্বঃ

ইতিহাস হল মানব সভ্যতা ও মানব সমাজের অগ্রগতি ধারাবাহিক সত্যনির্ভর বিবরণ। বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর উত্থান-পতনের সত্যনিষ্ঠ বর্ণনা ইতিহাসের বিষয়বস্তু। গ্রিক পন্ডিত হেরোডোটাস সর্বপ্রথম বিজ্ঞানসম্মতভাবে মানুষের অতীতের কাহিনী ধারাবাহিকভাবে রচনার চেষ্টা করেছিলেন বলে তাকে ইতিহাসের জনক বলা হয়।ইতিহাস পাঠ করে আমরা অতীতে অবস্থা জানতে পারে। আবার অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতেও গড়তে পারি।সর্বোপরি ইতিহাস পাঠ মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম আত্মমর্যাদাবোধ এবং জাতীয়তাবোধের জন্ম দেয়। সেক্ষেত্রে ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ একটি শাস্ত্র বা বিষয়।

মানবজীবনে ইতিহাস চর্চার প্রয়োজনীয়তাঃ

মানব সমাজ ও সভ্যতার বিবর্তনে সত্যনির্ভর বিবরণ হচ্ছে ইতিহাস। এ কারণে জ্ঞানচর্চার শাখা হিসেবে ইতিহাসের গুরুত্ব অপরিসীম। ইতিহাস পাঠ মানুষকে অতীতের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান অবস্থা বুঝতে, ভবিষ্যৎ অনুমান করতে সাহায্য করে। ইতিহাস পাঠের ফলে মানুষের পক্ষে নিজেও নিজ দেশ সম্পর্কে মঙ্গল-অমঙ্গল এর পূর্বাভাস পাওয়া সম্ভব সুতরাং দেশ ও জাতির স্বার্থে এবং ব্যক্তি প্রয়োজন ইতিহাস অত্যন্ত জরুরী।

জ্ঞান ও আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি করেঃ

অতীতের সত্যনিষ্ঠ বর্ণনা মানুষের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। আর এ বিবরণ যদি হয় নিজ দেশ- জাতির সফল সংগ্রাম ও গৌরবময় ঐতিহ্যের,তাহলে তা মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে।একই সঙ্গে আত্মপ্রত্যয়ী আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করে। সেক্ষেত্রে জাতীয়তাবোধ, জাতীয় সংহতি সুদৃঢ়করণে ইতিহাস পাঠের বিকল্প নেই।
সচেতনতা বৃদ্ধি করেঃ ইতিহাস জ্ঞান মানুষকে সচেতন করে তুলে উথান পতন এবং সভ্যতার বিকাশ ও পতনের কারণগুলো জানতে পারলে মানুষ ভালো-মন্দ পার্থক্যটা সহজে বুঝতে পারে ফলে সে তার কর্মের পরিণতি সম্পর্কে সচেতন থাকে।
দৃষ্টান্তের সাহায্যে শিক্ষা দেয়ঃ

দৃষ্টান্তের সাহায্যে শিক্ষা দেয়ঃ

ইতিহাস এর ব্যবহারিক গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষ ইতিহাস পাঠ করে অতীত ঘটনাবলী দৃষ্টান্ত থেকে শিক্ষা নিতে পারে।। ইতিহাসের শিক্ষা বর্তমানের প্রয়োজনে কাজে লাগানো যেতে পারে। ইতিহাস দৃষ্টান্তের মাধ্যমে শিক্ষা দেয় বলে ইতিবাচক বলা হয় শিক্ষনীয় দর্পণ। ইতিহাস পাঠ করলে বিচার-বিশ্লেষণের ক্ষমতা বাড়ে যা দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে সাহায্য করে ফলে জ্ঞান চর্চা প্রতি আগ্রহ জন্মে।

এই ছিল তোমাদের জন্য প্রণীত এসএসসি পরীক্ষা ২০২১ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ১ম এ্যাসাইনমেন্ট এর বাছাইকরা উত্তর –

“মানব জীবনে ইতিহাস” শীর্ষক প্রবন্ধ।

আরো দেখুন-

অনুমতিবিহীন বাংলা নোটিশ এর কোন তথ্য কপি করে কোন ওয়েবসাইটে ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করলে সাথে সাথেই গুগলে কপিরাইট ক্লেইম করা হবে। তোমাদের প্রতি সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সংক্রান্ত আপডেট সবার আগে পাওয়ার জন্য বাংলা নোটিশ ডট কম এর এন্ড্রয়েড অ্যাপটি ডাউনলোড করে নাও। এখানে এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান করা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে পেয়ে যাবে।

এছাড়াও তোমার মনে থাকা যেকোন প্রশ্ন এখানে করার সুযোগ রয়েছে; নিয়মিত আপডেট পাওয়ার জন্য অ্যাপটি ডাউনলোড করে নাও;

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা নোটিশ ডট কম এর প্রকাশক ও সম্পাদক জনাব আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া। জন্ম ১৯৯৩ সালের ২০ নভেম্বর, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায়। বাবা আবদুল গফুর ভূঁইয়া এবং মা রহিমা বেগম। এক ছেলে এক মেয়ে। ছেলে আবদুল্লাহ আল আরিয়ান বয়স ৫ বছর। মেয়ে ফাবিহা জান্নাত বয়স ১ বছর। আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া এর শিক্ষাজীবন আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে ২০১৮ সালে ম্যানেজমেন্ট এ স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি উত্তরা ইউনিভার্সিটি ঢাকা থেকে বিপিএড সম্পন্ন করেন। আজিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শুরু। এরপর আজিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং নবাব ফয়জুন্নেসা সরকারি কলেজ লাকসাম উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে কিছুদিন ক্লাস করার পর। পারিবারিক কারণে নাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। শিক্ষা জীবনে তিনি কুমিল্লা সরকারি কলেজ এ কিছুদিন রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়ন করার পর ভালো না লাগায় পুনরায় ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। ছাত্র জীবনে তিনি নানা রকম সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। কর্মজীবন কর্মজীবনের শুরুতে তিনি আজিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা পেশায় যোগদেন। বেশ কিছুদিন পর তিনি ২০১৯ সালে উন্নত ভবিষ্যতের আশায় কুয়েত পারি জমান। কিন্তু সেখানকার কাজের পরিস্থিতি অনুকুলে না থাকায় পুনরায় আবার বাংলাদেশে ফিরে এসে পূর্বের পদে কাজে যোগদান করে অদ্যাবধি কর্মরত আছেন। এছাড়াও তিনি স্বপ্ন গ্রাফিক্স এন্ড নেটওয়ার্ক নামে একটি মাল্টিমিডিয়া এবং প্রিন্টিং প্রেস প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধীকারী সেই সাথে স্বপ্ন ইশকুল নামক একটি কম্পিউটার ট্রেণিং ইনস্টিটিউট এর মালিকানায় আছেন যেখানে তিনি নিজেই ক্লাস পরিচালনা করেন। লেখা-লেখি ও সাহিত্য কর্ম ছাত্র অবস্থায় তিনি লেখা-লেখি ও সাহিত্য কর্মের সাথে জড়িত আছেন। ২০১১ সালে রাইটার্স এসোসিয়েশন এর ম্যাগাজিনে তার প্রথম লেখা বন্ধু চিরন্তন প্রকাশিত হয়। এর পর তিনি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন।

Related Articles

3 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ