নিউজ

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা একাউন্ট খোলার পর এই ফরমটি বিদ্যালয় জমা দিতে হবে

২০২০ সালের জেএসসি ও পিএসসি পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে ইএমআইএস পোর্টালে আপলোড করার জন্য সম্প্রতি নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বৃত্তি সংক্রান্ত এবং একাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য বিদ্যালয় জমা দেওয়ার জন্য বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ফ্রম ডিজাইন করা হয়েছে।

এই ফ্রম এ উল্লেখিত সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে জমা দিতে হবে। এই ফরমে তথ্য গুলো অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ই এম আই এস পোটাল এ আপলোড করবেন।

এতে করে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ এবং শিক্ষকদের তথ্য পূরণে জটিলতা অনেক কমে যাবে।

এই ফরমের সাথে শিক্ষার্থীগণ যে সকল কাগজপত্র সংযুক্ত করতে পারেন তা হল-

শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধনের কপি, বৃত্তি প্রাপ্তির প্রমান পত্রের কপি (গেছে অথবা রেজাল্ট), পিতা-মাতা ও অভিভাবকের জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি, ব্যাংক একাউন্ট খোলার রশিদ, যে বিদ্যালয় থেকে পাশ করেছে সে বিদ্যালয় থেকে প্রধান শিক্ষক কর্তৃক প্রদত্ত বৃত্তি প্রাপ্তির সংক্রান্ত প্রত্যয়ন পত্র।

  • আরও পড়ুন:
বৃত্তি প্রাপ্তদের একাউন্ট তথ্য জমা দেওয়ার ফরম

বৃত্তির তথ্য জমা দানের ফরম টি ডাউনলোড করুন

প্রত্যয়ন পত্রের নমুনা ডাউনলোড করুন

শিক্ষা সংক্রান্ত সকল তথ্য সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজ টি লাইক করে রাখুন।

আপনাদের কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদের গ্রুপে জয়েন করে সমস্যার সমাধান করে নিতে পারেন।

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Related Articles

2 Comments

  1. ভুলক্রমে ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর তথ্য দেওয়া হয়ে গেছে । ইহা বাদ দেওয়ার কোন ব্যবস্থা আছে কি না? জানালে খুশী হোব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ