ইসলাম ও ইমানের সম্পর্ক, কপটতা, নবি-রাসুল এবং হাশরের ময়দান

শিক্ষার্থী বন্ধুরা, তোমরা যারা ইসলাম ও ইমানের সম্পর্ক, কপটতা, নবি-রাসুল এবং হাশরের ময়দান বিষয়ে জানতে চাও তাদের জন্য আজকের প্রবন্ধ; মানব জীবনের জন্য ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তিময় জীবন ব্যবস্থা। মানব জীবনে চলার জন্য সকল সমস্যার সমাধান ইসলামের রয়েছে। আজকে আমরা আলোচনা করব ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের ইসলাম ও ইমানের সম্পর্ক কপটতা নবী ও রাসূলগণের মধ্যে পার্থক্য এবং হাশরের ময়দানে শাফায়াত সম্পর্কে।

আজকের আর্টিকেলটি পড়ার পর তোমরা অষ্টম শ্রেণীর দ্বিতীয় অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ এর ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের নির্ধারিত কাজ ইসলাম ও ইমানের সম্পর্ক, কপটতা, নবি-রাসুল এবং হাশরের ময়দান সমাধান করতে পারবে।

তবে কোনভাবেই তোমরা এটি হুবুহু কপি করবে না শুধুমাত্র এখান থেকে ধারণা গ্রহণ করে নিজের মতো করে সুন্দর করে গুছিয়ে লিখবে। ‌

এই আর্টিকেল থেকে তোমরা ইসলাম ও ইমানের সম্পর্ক, কপটতা, নবি-রাসুল এবং হাশরের ময়দান যেসকল প্রশ্নের উত্তর করতে পারবে, তাহল-

  • ইসলামের সাথে ইমানের সম্পর্ক খুবই নিবিড় কথাটির ব্যাখ্যা করো।
  • কপটতার নিদর্শন গুলো গুলো কী কী?
  • নবি-রাসুলের পার্থক্য বর্ণনা করতে পারবে;
  • হাশরের ময়দানে কয় ধরনের শাফায়াত কার্যকর হবে? ব্যাখ্যা করতে পারবে;

তাহলে চলো শুরু করা যাক-

ইসলামের সাথে ইমানের সম্পর্ক খুবই নিবিড় কথাটির ব্যাখ্যা:

ইসলামের মূল বিষয়গুলো প্রতি বিশ্বাস কে ঈমান বলে। প্রকৃত অর্থে আল্লাহতালা, নবী রাসুল, ফেরেশতা, আসমানী কিতাব, আখিরাত, তাকদিরে বিষয়গুলো মনেপ্রাণে বিশ্বাস করা, মুখে স্বীকার করা ও তদনুযায়ী আমল করা কে ইমান বলে।

ইসলামের এই সাতটি বিষয়ের কোন একটি ওপর পড়ে থাকলে ঈমান সম্পন্ন হবে না। ‌

তাই বলা যায়, ইসলামের সাথে ঈমানের সম্পর্ক খুবই নিবিড়

কপটতার নিদর্শন গুলো গুলো কী কী?

ইসলামী পরিভাষায় মুখে ঈমানের শিকার ও অন্তরে অবিশ্বাস করা কে কপটতা বলা হয়। কপটতা নিদর্শন তিনটি-

১. যখন কথা বলে; মিথ্যা বলে

২. কারো সাথে ওয়াদা করলে তা ভঙ্গ করে;

৩. যখন তার নিকট কোন কিছু গচ্ছিত রাখা হয় তখন তার খেয়ানত করে।

আমরা সকলেই কপটতা থেকে বেঁচে থাকব এবং খাটি মুসলিম হিসেবে জীবন-যাপনে চেষ্টা করব।

নবি-রাসুলের পার্থক্য বর্ণনা কর:

আল্লাহতালা যাদের প্রতি আসমানী কিতাব নাযিল করেছেন কিংবা নতুন শরীয়ত প্রদান করেছেন, তারা হলেন রাসুল।

আর যার প্রতি কোন কিতাব অবতীর্ণ হয় নি কিংবা যাকে কোন নতুন শরীয়ত দেওয়া হয়নি তিনি হলেন নবী।

তিনি তার পূর্ববর্তী রাসুলের শরীয়ত প্রচার করতেন। এ কারণে সকল রাসূল নবী ছিলেন। কিন্তু সকল নবী রাসুল ছিলেন না।

যেমন আমাদের মহানবী সাল্লাম ছিলেন একাধারে নবী ও রাসূল।

হাশরের ময়দানে কয় ধরনের শাফায়াত কার্যকর হবে? ব্যাখ্যা:

কিয়ামতের পরের ধাপটি হল হাশর। সেদিন পৃথিবী সৃষ্টি থেকে শুরু করে ধ্বংস হওয়ার পর্যন্ত সমস্ত মানুষকে জমায়েত করা

ইসলামী পরিভাষায় কল্যাণ ও ক্ষমার জন্য আল্লাহ তাআলার নিকট নবী-রাসূলগণের সুপারিশ করা কে শাফায়াত বলে।

হাশরের ময়দানে দুই ধরনের শাফায়াত কার্যকর হবে। যথা-

  • শাফায়াতে কুবরা
  • শাফায়াতে সুগরা

কিয়ামতের দিন সকল মানুষ অসহনীয় দুঃখ-কষ্ট নিপতিত থাকবে। এ সময় তারা সকল নবী রাসূলের নিকট উপস্থিত হয়ে হিসাব-নিকাশ শুরু করার জন্য আল্লাহর নিকট শাফায়াত করতে অনুরোধ করবে।

তারা সকলেই অপারগতা প্রকাশ করবেন। এ সময় মানুষ মহানবী সাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হবে। তখন মানুষ মানুষকে আল্লাহ তাআলার নিকট সুপারিশ করবেন। অতঃপর আল্লাহ তায়ালা হিসাব-নিকাশ শুরু করবেন।

এই শাফায়াত কে বলা হয় শাফায়াতে কুবরা।

আবার কিয়ামতের দিন পাপীদের ক্ষমাও পুণ্যবানদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য শাফায়াত করা হবে এটাই হলো শাফায়াতের সুগরা;

নবী রাসুল, ফেরেশতা, শহীদ, আলেম, হাফিজ এ শাফায়াতের সুযোগ পাবেন।

আশা করছি তোমরা এবার ইসলাম ও ইমানের সম্পর্ক, কপটতা, নবি-রাসুল এবং হাশরের ময়দান সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় জানতে পারলে; ইসলাম ও ইমানের সম্পর্ক, কপটতা, নবি-রাসুল এবং হাশরের ময়দান বিষয়ে আরও জানতে চাইলে আমাদের সাথেই থাকো এবং ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বইটি হাশরের ময়দান ভালভাবে অ্ধ্যয়ন করবে।

তোমাদের জন্য এই নির্দেশনা মূলক তথ্যটি প্রদান করেছেন – অমিত স্যার, ০১৭২৩-২৯৫৭০৮

তোমার জন্য আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

তোমাদের অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করার জন্য বাংলা নোটিশ ফেসবুক গ্রুপে দেশের বিভিন্ন নামকরা বিদ্যালয়ের অভিজ্ঞ শিক্ষক ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা নিয়মিত আলোচনা করছে। তুমিও যোগ দিয়ে বিভিন্ন তথ্য পেতে পারো-

দেশের সকল স্তরের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, চাকুরি, বৃত্তিসহ সকল অফিসিয়াল নিউজ সবার আগে পেতে বাংলা নোটিশ ডট কম এর ফেসবুক পেইজটি Like & Follow করে রাখুন;

ইউটিউবে সকল তথ্য পেতে বাংলা নোটিশ ডট কম এর ইউটিউব চ্যানেল Subscribe করে রাখুন।

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Related Articles

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ