তথ্য ভান্ডার

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার যুক্তি

প্রিয় অষ্টম শ্রেণির বন্ধুরা, তোমাদের জন্য আজ ৮ম শ্রেণির ৬ষ্ঠ এ্যাসাইনমেন্ট এর বাংলা বিষয়ের নির্ধারিত কাজ এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম থেকে বাড়ীর কাজ নমুনা প্রশ্ন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যে সব যুক্তি তুলে ধরেছেন সেগুলাে সাজিয়ে লিখ উত্তর করা নিয়ে আলোচনা করবো; এই আলোচনা শেষে তোমরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যে সব যুক্তি তুলে ধরেছেন সেগুলাে সাজিয়ে লিখতে পারবে; 

আজকের আলোচনায় আমরা যে প্রশ্নটির উত্তর জানবো-

এ্যাসাইনমেন্ট/নির্ধারিত কাজ:

বাড়ির কাজ : (নমুনা প্রশ্ন)

প্রশ্ন: ০১ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যে সব যুক্তি তুলে ধরেছেন সেগুলাে সাজিয়ে লিখ।

উত্তর লেখার সময় আমরা অবশ্যই প্রদত্ত মূল্যায়ন নির্দেশকগুলো অনুসরণ করবো; স্বাধীনতার পক্ষে যুক্তিগুলাে সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে, বাক্যগঠন ও বানান শুদ্ধ হতে হবে

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যে সব যুক্তি তুলে ধরেছেন তা হল-

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি ও বাঙালি জাতিসত্তা বিকাশের পুরোধা; তিনি আমাদের বাঙ্গালী জাতির পিতা;

রেসকোর্স ময়দানে ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধু তার জীবনের শ্রেষ্ঠ ভাষণ দিয়েছিলেন। এই ভাষণ ৭ ই মার্চের ভাষণ হিসেবে বিখ্যাত।

১৮ মিনিটের ওই ভাষণে তিনি বাঙালির মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত স্বাধীনতা সংগ্রামের আহ্বান জানান।

লক্ষাধিক লোকের সামনে পাকিস্তানি দুধের কামান-বন্দুক মেশিনগানের হুমকির মুখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কন্ঠে ঘোষণা করেন এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যেসব যুক্তি তুলে ধরেছেন সেগুলো লেখা হলো-

সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা-

যেকোনো মানুষের কাছে বিস্ময়কর মনে হবে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার ২৩ বছরের মধ্যে কোন সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০ এর ডিসেম্বরে।

সেই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান প্রদেশের জাতীয় পরিষদে ১৬৯ টি আসনের ১৬৭ টি লাভ করে।

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে ছিল ৩০০ আসন বিশিষ্ট পশ্চিম পাকিস্তানের ৮৩ আসন পেয়ে জুলফিকার আলী ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে।

ওই নির্বাচন  ছিল বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার প্রতি জনগণের রায়।

৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমেই দেশের সার্বিক পরিস্থিতি আলোচনা করেন। দেশের শাসন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন।

নিজ ভূমিকা ও অবস্থান ব্যাখ্যা –

স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের রাজনৈতিক আন্দোলনে তরুণ বাঙালি সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে ১৯৪৮ সালের ৪ ঠা জানুয়ারি শেখ মুজিব গঠন করলেন ছাত্রলীগ নামের এক অপরাজেয় ছাত্র সংগঠন।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন জন্ম নেয় আওয়ামী লীগ। কারাগারে বন্দি ২৯ বছরের শেখ মুজিবকে সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয়।

এরপর যত সময় গেছে, শেখ মুজিব হয়ে উঠেছেন আওয়ামী লীগের প্রাণ। ভাষা আন্দোলনের সুকঠিন সময় কারাগারে বন্দী শেখ মুজিবই ছিলেন নেতাকর্মীদের প্রাণপুরুষ।

১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের শিল্প-বাণিজ্য শ্রমনীতি দমন ও ভিলেজ-এইড দপ্তরের মন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করলেও বাঙালি জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে ১৯৫৭ সালে মন্ত্রীর দায়িত্ব ছেড়ে দেন শেখ মুজিব।

এছাড়াও অন্যান্য যেসব যুক্তি তুলে ধরেছেন তার মধ্যে অন্যতম হলো-

পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনীতিকদের ভূমিকার উপর আলোকপাত, সামরিক আইন প্রত্যাহারের আহ্বান, অত্যাচার ও সামরিক আগ্রাসন মোকাবেলার হুমকি, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পূর্ব-পাকিস্তানে সার্বিক হরতাল চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা এবং নিগ্রহ ও আক্রমণ প্রতিরোধের আহ্বান।

সামরিক আইন মার্শাল-ল’ উইথড্র  করার কথা বলেছিলেন। সমস্ত সামরিক বাহিনীর লোকদের ব্যারাকে ফেরত নেয়ার জন্য জোর দাবি করেছিলেন।

তিনি তার বক্তৃতায় যুক্তি দিয়েছিলেন- মনে রাখবেন শত্রুবাহিনী ঢুকেছে নিজেদের মধ্যে আত্মকলহ সৃষ্টি করবে, লুটতরাজ করবে।

এই বাংলায়- হিন্দু-মুসলমান, বাঙালি-অবাঙালি যারা আছে তারা আমাদের ভাই, তাদের রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের উপর, আমাদের যেন বদনাম না হয়।

অনুপ্রেরণা যোগাতে তিনি বলেছিলেন- সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। আমরা যখন মরতে শিখেছি,  তখন কেউ আমাদের দাবাতে পারবে না।

বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ “এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম” আজও আমাদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে বাধ্য করে।

তোমাদের জন্য আজকের টিউনটি ওয়েবওয়ার্ল্ড থেকে সংগ্রহ করে মডিফাউ করা হয়েছে

অষ্টম শ্রেণির ৬ষ্ঠ এস্যাইনমেন্ট এর সকল বিষয়ের উত্তর:

শ্রেণি ভিত্তিক সকল শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর সহায়িকা:

নিয়মিত বাংলা নোটিশ ডট কম ভিজিট করুন এবং ফেসবুক পেইজ Like & Follow করে রাখুন; ইউটিউবে আপডেট পেতে বাংলা নোটিশ ইউটিউব চ্যানেলটি Subscribe করে রাখুন।

এসাইনমেন্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সমাধান পাওয়ার জন্য বাংলা নোটিশ এর ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন; এখানে দেশের প্রসিদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থী ও অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী আলোচনার মাধ্যমে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করছে

JOIN BANGLANOTICE FACEBOOK GROUP

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা নোটিশ ডট কম এর প্রকাশক ও সম্পাদক জনাব আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া। জন্ম ১৯৯৩ সালের ২০ নভেম্বর, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায়। বাবা আবদুল গফুর ভূঁইয়া এবং মা রহিমা বেগম। এক ছেলে এক মেয়ে। ছেলে আবদুল্লাহ আল আরিয়ান বয়স ৫ বছর। মেয়ে ফাবিহা জান্নাত বয়স ১ বছর। আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া এর শিক্ষাজীবন আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে ২০১৮ সালে ম্যানেজমেন্ট এ স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি উত্তরা ইউনিভার্সিটি ঢাকা থেকে বিপিএড সম্পন্ন করেন। আজিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শুরু। এরপর আজিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং নবাব ফয়জুন্নেসা সরকারি কলেজ লাকসাম উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে কিছুদিন ক্লাস করার পর। পারিবারিক কারণে নাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। শিক্ষা জীবনে তিনি কুমিল্লা সরকারি কলেজ এ কিছুদিন রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়ন করার পর ভালো না লাগায় পুনরায় ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। ছাত্র জীবনে তিনি নানা রকম সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। কর্মজীবন কর্মজীবনের শুরুতে তিনি আজিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা পেশায় যোগদেন। বেশ কিছুদিন পর তিনি ২০১৯ সালে উন্নত ভবিষ্যতের আশায় কুয়েত পারি জমান। কিন্তু সেখানকার কাজের পরিস্থিতি অনুকুলে না থাকায় পুনরায় আবার বাংলাদেশে ফিরে এসে পূর্বের পদে কাজে যোগদান করে অদ্যাবধি কর্মরত আছেন। এছাড়াও তিনি স্বপ্ন গ্রাফিক্স এন্ড নেটওয়ার্ক নামে একটি মাল্টিমিডিয়া এবং প্রিন্টিং প্রেস প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধীকারী সেই সাথে স্বপ্ন ইশকুল নামক একটি কম্পিউটার ট্রেণিং ইনস্টিটিউট এর মালিকানায় আছেন যেখানে তিনি নিজেই ক্লাস পরিচালনা করেন। লেখা-লেখি ও সাহিত্য কর্ম ছাত্র অবস্থায় তিনি লেখা-লেখি ও সাহিত্য কর্মের সাথে জড়িত আছেন। ২০১১ সালে রাইটার্স এসোসিয়েশন এর ম্যাগাজিনে তার প্রথম লেখা বন্ধু চিরন্তন প্রকাশিত হয়। এর পর তিনি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন।

Related Articles

4 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ