করোনাকালীন ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিখনফল মূল্যায়ন পদ্ধতি – মাউশি

করোনাকালীন ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিখনফল মূল্যায়ন পদ্ধতি: কোভিড-১৯ তথা করোনাভাইরাস এর সামাজিক সংক্রমণ ঠেকাতে বাংলাদেশের সকল স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পরবর্তী বছরে করোনাকালীন ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শিখনফল মূল্যায়ন পদ্ধতি ও দেওয়া নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় কাটছে শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের ও অভিভাবকদের মাঝে।

২০২০ সালের করোনাভাইরাস কালীন সময়ে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে পরবর্তী শ্রেণীতে প্রমোশন এবং করোনাকালীন ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিখনফল মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। ‌

২৫ অক্টোবর ২০২০ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এ COVID-19 কালীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রত্যক্ষ শ্রেণী কার্যক্রম বন্ধ থাকায় মাধ্যমিক পর্যায়ে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিখন ফল মূল্যায়ন সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়।

মাউশি মহাপরিচালক প্রফেসর ডঃ সৈয়দ মোঃ গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য ৮টি নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

করোনাকালীন শিক্ষার্থীদের পাঠ মূল্যায়ন ও পরবর্তী শ্রেণিতে প্রমোশন এর নির্দেশনাটি হল-

কোভিড-১৯ সংক্রমণ রােধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রত্যক্ষ শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

তবে কোভিড-১৯ সংক্রমণ রােধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাকালীন সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত “আমার ঘরে আমার স্কুল” প্রোগ্রামের মাধ্যমে পাঠদান এবং স্কুল পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনলাইন শ্রেণি পাঠদান ও অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

এছাড়াও শিক্ষকবৃন্দ মােৰাইল ফোনের মাধ্যমে পাঠদান অব্যাহত রেখেছেন। এরকম নানাবিধ কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কতটুকু শিখনফল অর্জন করলাে তা মূল্যায়ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

এই মূল্যায়ন যেন তাদের ওপর কোন মানসিক শারীরিক চাপ সৃষ্টি না করে, তাছাড়া শিক্ষকবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা নিজেরাও যেন তাদের পাঠ অগ্রগতি বা দুর্বলতা সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে সেজন্য সার্বিক দিকগুলি বিবেচনা করে নিম্নোক্ত নির্দেশনা প্রদান করা হলাে।

১. এনসিটিবি কর্তৃক নির্ধারিত মাধ্যমিক পর্যায়ের জন্য ৩০ (ত্রিশ) কর্মদিবসের সিলেবাস অনুসরণ করতে হবে (যা
www.dshe.gov.bd ওয়েবসাইটে যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে);

২. এনসিটিবি সংশ্লিষ্ট বিষয় বিশেষজ্ঞগণের সহায়তায় নির্ধারিত সিলেবাস থেকে অ্যাসাইনমেন্ট (নির্ধারিত কাজ) এর জন্য বিষয়বস্তু নির্ধারণ করেছে।

বিষয়বস্তু অনুযায়ী প্রণীত অ্যাসাইনমেন্ট (নির্ধারিত কাজ) মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিকট প্রতি সপ্তাহে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রেরণ করা হবে।

৩. অ্যাসাইনমেন্ট (নির্ধারিত কাজ) প্রদান/গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধান শ্রেণিভিত্তিক সময়সূচি নির্ধারণ এবং আলাদাভাবে প্রদান/গ্রহণের ব্যবস্থা করবেন। এক্ষেত্রে অনলাইনের সাহায্যে।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রতিষ্ঠান প্রধান/অভিভাবক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অ্যাসাইনমেন্ট প্রেরণ ও গ্রহণ করবেন;

৪. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অ্যাসাইনমেন্ট (নিধারিত কাজ) ব্যতীত মূল্যায়ন সংক্রান্ত অন্য কোনাে কার্যক্রম

(যেমন- পরীক্ষা গ্রহণ, বাড়ীর কাজ দেওয়া ইত্যাদি) গ্রহণ করতে পারবেন না ;

৫. অ্যাসাইনমেন্ট (নির্ধারিত কাজ) মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের দুর্বল দিকগুলাে চিহ্নিত করবেন এবং পরবর্তী
শিক্ষাবর্ষে সেগুলাের ওপর বিশেষ নজর দিয়ে কাঙ্ক্ষিত শিখন ফল অর্জনের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ শিক্ষকদের মূল্যায়নসহ আসাইনমেন্টগুলাে (নিরিত কাজ) সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবেন।

৬. কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে স্থানান্তরিত শিক্ষার্থীরা নিকটবর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অ্যাসাইনমেন্ট (নির্ধারিত কাজ
সংগ্রহ/জমা প্রদান করতে পারবেন।

সেক্ষেত্রে অভিভাবক/শিক্ষাথী তার নিকটবর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন:

৭, এই কার্যক্রম ০১,১১,২০২০ খ্রি. থেকে শুরু হবে।

  • এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে সকল আঞ্চলিক উপপরিচালক, জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা/ থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সমন্বয় করবেন।

পাঠ মূল্যায়ন নির্দেশনা ডাউনলোড করুন

আপনার জন্য আরও কিছু খবর-

শিক্ষা, চাকুরি, প্রশিক্ষণ, বৃত্তি সহ দেশ বিদেশের বিভিন্ন খবর ও তথ্য সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজটি লাইক ও ফলো করে রাখুন এবং বাংলা নোটিশ ডট কম নিয়মিত ভিজিট করুন;

বিনামূল্যে স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন;

৩ thoughts on “করোনাকালীন ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিখনফল মূল্যায়ন পদ্ধতি – মাউশি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *