চিকিৎসা

করোনাভাইরাস রোগের চিকিৎসায় গোমূত্র-গোবর!

করোনাভাইরাস রোগের চিকিৎসায় গোমূত্র-গোবর!: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসকে ঠেকানোর প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক তৈরির চেষ্টা করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। করোনাভাইরাস রোগের চিকিৎসায় গোমূত্র-গোবর! ব্যবহার কি আসলে কার্যকর?

কিন্তু এখন পর্যন্ত সাফল্যের খবর না পাওয়া গেলেও এই রোগের চিকিৎসা কেমন হতে পারে, তা জানালেন ভারতের হিন্দু মহাসভার প্রেসিডেন্ট স্বামী চক্রপাণি মহারাজ।

গতকাল শুক্রবার তিনি বলেছেন, করোনাভাইরাসজনিত রোগের চিকিৎসায় গোমূত্র ও গোবর ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া ‘নভেল করোনাভাইরাস হত্যা করতে এবং বিশ্বে এই ভাইরাসের প্রভাব বন্ধ করতে’ বিশেষ যজ্ঞ করা হবে বলেও জানান তিনি।

চক্রপাণি বলেন, ‘গোমূত্র ও গোবর গ্রহণ করলে সংক্রামক করোনাভাইরাসের প্রভাব বন্ধ হয়ে যাবে। যে ব্যক্তি ‘ওঁম নমঃ শিবায়’ বলবেন এবং গোবর গায়ে মাখবেন, তিনি রক্ষা পাবেন। করোনাভাইরাস মারতে শিগগিরই বিশেষ যজ্ঞ করা হবে।’

চীনে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ২৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ১২ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ভারতে এরই মধ্যে করোনাভাইরাস আক্রান্ত এক ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে।

 

দেশ বিদেশের বিভিন্ন খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজটি লাইন দিন

ভারতে ক্রমশই বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। নতুন করে ১৬ জন ইতালীয় পর্যটকের দেহে মিলেছে এ ভাইরাস। কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যান মতে, এ নিয়ে মোট ২৮ জন ভারতীয় আক্রান্ত হয়েছেন করোনাভাইরাসে।

কেরালা, নয়াদিল্লি ও হায়দরাবাদ ও জয়পুরে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে গোটা ভারতে। যে কারণে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসন্ন হোলি উৎসবে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং লখনৌ ও নয়ডাতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুল।

এমন আতঙ্কের মধ্যেই আসামের বিজেপি নেতা সুমন হরিপ্রিয়া করোনাভাইরাসের দাওয়াই হিসেবে ‘গোমূত্র ও গোবর টোটকা’ নিয়ে হাজির হয়েছিলেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবার আয়ুর্বেদ, ইউনানি, হোমিওপ্যাথি, যোগব্যায়াম নিয়ে কাজ করা ভারতের আয়ুষ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হোমিওপ্যাথিক ‘আর্সেনিকম অ্যালবাম ৩০’ ওষুধে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকানো যেতে পারে। মন্ত্রণালয়ের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) টুইটার পেজে গত ২৯ জানুয়ারি এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ