নিউজ

প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইটে ১৩ অক্টোবর ২০২০ তারিখে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ০৯/০৩/২০১৪ খ্রি. তারিখের পরবর্তী সময়ের টাইমস্কেল প্রদান প্রসঙ্গে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত।

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়-

অর্থ বিভাগের ০৪/১২/২০১৩ তারিখের ২৮৩নং পত্রের সম্মতির প্রেক্ষিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণের বেতন স্কেল যথাক্রমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকগণকে ১৩ গ্রেড থেকে ১১ গ্রেড এবং প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকগণকে ১৪ থেকে ১২ গ্রেডে উন্নীতকরণ করা হয়।

একইসাথে তাদের পদ মর্যাদা ৩য় শ্রেণি থেকে ২য় শ্রেণিতে উন্নীত করা হয় (সংলাগ-১) বেতন গ্রেড উন্নীত করার পর থেকে প্রধান শিক্ষকগণ ০৯/০৩/২০১৭ খ্রি. এর পরবর্তী সময়ের টাইমস্কেল পাচ্ছেন না।

ফলে মাঠ পর্যায়ে বিপুল সংখ্যক প্রধান শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

২। বর্ণিত বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুরােধের প্রেক্ষিতে অর্থ বিভাগ কর্তৃক ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখের ৩৬১ সংখ্যক পত্রে বলা হয়েছে-

“সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদের পদমর্যাদা ০৯/০৩/২০১৪ খ্রি. তারিখ থেকে ২য় শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়েছে বিধায় উক্ত তারিখ থেকে জাতীয় বেতনস্কেল, ২০০৯ এর ৭(১) নং অনুচ্ছেদের সুবিধা তাদের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হবে না” (সংলাগ-২)।

৩। বিষয়টি পর্যালােচনায় দেখা যায়, প্রধান শিক্ষকদের ২য় শ্রেণিতে উন্নীত করা হলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়ােগ বিধিমালা ২০১৩’ এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়ােগ বিধিমালা ২০১৯’ অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক পদটি ব্লক পদ।

এ পদ থেকে পদোন্নতির কোন সুযােগ নাই। অর্থাৎ ০৯/০৩/২০১৪ তারিখে তাদের শুধুমাত্র গ্রেড ও পদ মর্যাদা উন্নীত হয়েছে, কোন পদোন্নতি হয়নি। পদোন্নতির ক্ষেত্রে নিয়ােগবিধির শর্ত প্রতিপালন করেই পদোন্নতি হয়ে থাকে এবং এজন্য প্রযােজ্য ক্ষেত্রে বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটি/পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সুপারিশ প্রয়ােজন হয়।

আর গ্রেড ও পদ মর্যাদা উন্নীত হয় সরকারের নির্বাহী আদেশে (এ ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন ও অর্থ বিভাগের সম্মতির ভিত্তিতে) কাজেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড ও পদ মর্যাদা ২য় শ্রেণিতে উন্নীতকরণের ফলে তাদের পদোন্নতি হয়নি।

টাইমস্কেল প্রাপ্তির বিষয়ে চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০০৯ এর অনুচ্ছেদ ৭(১) এর বিধান (সংলাগ-৩) নিম্নরূপ:

“জাতীয় বেতনস্কেল, ২০০৯ এর টাকা ৪১০০-৭৭৪০ (২০ নং গ্রেড) হইতে টাকা ৮০০০-১৬৫৪০/- (১০ নং গ্রেড) বেতনস্কেল বিশিষ্ট পদের আওতাভুক্ত নন-গেজেটেড সরকারি কর্মচারীগণ একই অথবা সমপর্যায়ের পরস্পর বদলিযােগ্য পদে ৮, ১২ ও ১৫ বৎসর চাকরি পূর্তি এবং চাকরির সন্তোষজনক রেকর্ডের ভিত্তিতে ও এতদসংক্রান্ত প্রচলিত শর্তাদি পূরণ সাপেক্ষে, যথাক্রমে ১ম, ২য় ও ৩য় পরবর্তী উচ্চতর বেতনস্কেলে, উচ্চতর স্কেল (টাইম স্কেল) হিসাবে প্রাপ্য হইবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, একই কর্মচারী পদোন্নতি ব্যতীত সমগ্র চাকরি জীবনে ৩টির অধিক টাইমস্কেল প্রাপ্য হইবেন না।

আরও শর্ত থাকে যে, সিলেকশন গ্রেড স্কেল এবং উচ্চতর স্কেল (টাইমস্কেল) যুগপৎভাবে প্রদান সংক্রান্ত অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১০-১১-১৯৯৭ তারিখের অম/অবি (বাস্ত-৩)/টাইমস্কেল-৩/৯৬ (অংশ)/৭২ (২০০) নং স্মারকে বর্ণিত ব্যাখ্যা বলবৎ থাকিবে।”

যেহেতু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদটি নিয়ােগ বিধি অনুযায়ী একটি ব্লক পদ অর্থাৎ তাদের পদোন্নতির কোন সুযােগ নেই এবং যেহেতু ০৯/০৩/২০১৪ তারিখে গ্রেড উন্নীতকরণের প্রেক্ষিতে তাদের শুধুমাত্র গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে পদবী পরিবর্তন হয়নি বা পদোন্নতি হয়নি।

সেহেতু চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০০৯ এর বিধি ৭(১) তাদের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য।

৪। এমতাবস্থায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ০৯/০৩/২০১৪ খ্রি. তারিখ থেকে ১৪/১২/২০১৫ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত সময়ের টাইমস্কেল প্রদানের বিষয়ে সম্মতি প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে পুনরায় অনুরােধ করা হলাে।

বিজ্ঞপ্তিটি ডাউনলোড করুন

প্রাথমিক শিক্ষার যেকোন তথ্য ও পরামর্শ পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজটি লাইক ও ফলো করে রাখুন এবং বাংলা নোটিশ ডট কম প্রতিদিন ভিজিট করুন।

আপনার জন্য আরও কিছু জরুরী বিজ্ঞপ্তি-

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ