একাডেমিক

তােমার ঘরে অব্যবহৃত ফেলে দেয়া জিনিস দিয়ে এমন একটি জিনিস বানাও যা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয় ও কিভাবে বানিয়েছ তা বর্ণনা কর

৮ম শ্রেণির সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, আশা করছি সবাই অনেক ভালো আছো। তোমাদের জন্য আজকের আর্টিকেলটিতে রয়েছে ৮ম শ্রেণি দ্বাদশ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা এর বাছাইকরা নমুনা উত্তর- তােমার ঘরে অব্যবহৃত ফেলে দেয়া জিনিস দিয়ে এমন একটি জিনিস বানাও যা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয় ও কিভাবে বানিয়েছ তা বর্ণনা কর।

অষ্টম শ্রেণি ২০২১ দ্বাদশ সপ্তাহ কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট

অষ্টম শ্রেণি ২০২১ দ্বাদশ সপ্তাহ কর্ম ও জীবনমূখী শিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট

অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ:

তােমার ঘরে অব্যবহৃত ফেলে দেয়া জিনিস দিয়ে এমন একটি জিনিস বানাও যা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয় ও কিভাবে বানিয়েছ তা বর্ণনা কর;

নির্দেশনা:

  • ক) অব্যবহৃত ফেলে দেওয়া জিনিস যেমন-বােতল, পুরােনাে কাপড়, বাঁশ, ভাঙ্গা মাটির হাড়ি ইত্যাদি ব্যবহার করতে বলুন;
  • খ) পরিবারের সদস্যদের সাহায্য নিতে বলুন;
  • গ) প্রয়ােজনে পাঠ্যপুস্তকের সাহায্য নিতে বলুন;
  • ঘ) অ্যাসাইনমেন্ট সঠিক সময়ে জমা প্রদান;

৮ম শ্রেণি দ্বাদশ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা এর বাছাইকরা নমুনা উত্তর

ভূমিকাঃ বাড়িতে বা ঘরে সদস্যদের অব্যবহৃত কাপড় ফেলে না দিয়ে ব্যাগ তৈরি করে পুনরায় আমরা ব্যবহার করতে পারি। নিম্নে ফেলে দেওয়া কাপড় দিয়ে ব্যাগ তৈরি করার পদ্ধতি ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করা হলাে।

কাপড়ের বহুবিধ ব্যবহার আছে। তার মধ্যে সব থেকে সাধারণ ব্যবহার হচ্ছে পোশাক হিসেবে এবং পাত্র যেমন ব্যাগ ও ঝুড়ি হিসেবে। বাসাবাড়িতে কার্পেট, আসবাবের উপরে, দরজা জানালার পর্দা, তোয়ালে, টেবিলের ঢাকনা, বালিশ ও বিছানায়, কাঁথা সহ নানাবিধ শিল্পকর্মে কাপড় ব্যবহার করা হয়। কর্মক্ষেত্রে কাপড় ব্যবহৃত হয় শিল্প ও বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় যেমন পাতন।

এছাড়াও কাপড়ের বিবিধ ব্যবহার রয়েছে যেমন পতাকা, পিঠে ঝোলানো ব্যাগ, তাবু, জাল, রুমাল, ন্যাঁকড়া, পরিবহন উপকরণ যেমন বেলুন, ঘুড়ি, পাল এবং প্যারাশুট। যৌগিক পদার্থ যেমন ফাইবার গ্লাস এবং শিল্প জিয়োটেক্সটাইলস শক্তিশালীকরণে বস্ত্র ব্যবহৃত হয়। অনেক ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প যেমন সেলাই, নকশী কাঁথা ইত্যাদি সূচিকর্মে কাপড়ের ব্যবহার হয়।

কেনাকাটা সেরে বাড়ি ফেরার পথে হুট করে আসা ঝুম বৃষ্টিতে কাগজের বাজারের ব্যাগ ভিজে একশা। দরকারি জিনিসগুলো ‘টুপটাপ’ পড়তে লাগল ভিজে ছিঁড়ে যাওয়া ব্যাগের কোনা দিয়ে। সঙ্গে একটি মাত্র পার্স। কী আর করা। ছেঁড়া কাগজের ব্যাগে দরকারি জিনিসগুলো মুড়িয়ে আঁকড়ে ধরে বাড়ি ফিরতে হবে। অভিজ্ঞতাটা সুখকর নয় মোটেও। তখনই মনে হয় একটা কাপড়ের ব্যাগের দরকার ছিল। বৃষ্টিতে ভিজলেও যেনো ছিড়ে না যায়। মাথায় এলো কাপড়ের তৈরি ব্যাগের কথা।

কাপড়ের তৈরি ব্যাগ বানাবার পদ্ধতিঃ

যেকোন মাপের ব্যাগ বানাতে প্রথমে কাপড় চারদিকে সুন্দর করে কেটে নিতে হবে। কাপড়টি মাঝ থেকে কেটে দুই ভাগে ভাগ করে দুই টুকরো লাইলিং নিয়ে কাপড়ের ভেতরের অংশ সেলাই করে লাগাতে হবে। এবার ওই একই মাপের দুই টুকরা ফোম নিতে হবে। ফোমের টুকরো দুটি লাইলিংয়ের ওপর সেলাই দিয়ে লাগাতে হবে। এবার এই অংশ দুটি একদিকে খোলা রেখে বাকি তিন দিকে সেলাই করতে হবে। মুখের ওপরের বাড়তি অংশ সেলাই করে নিতে হবে এবং একটি চেইন মুখের অংশে সেলাই করে লাগাতে হবে। ব্যাগের ফিতা হিসেবে একটি চিকন লম্বা চট সুন্দরভাবে সেলাই করে নিতে হবে এবং ব্যাগের মুখের দিকে দুই অংশে সেলাই করে লাগাতে হবে।

এই ছিল তোমাদের ৮ম শ্রেণি দ্বাদশ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা এর বাছাইকরা নমুনা উত্তর- তােমার ঘরে অব্যবহৃত ফেলে দেয়া জিনিস দিয়ে এমন একটি জিনিস বানাও যা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয় ও কিভাবে বানিয়েছ তা বর্ণনা কর।

আরো দেখুন-

প্রতি সপ্তাহে সকল স্তরের অ্যাসাইনমেন্ট সংক্রান্ত সকল তথ্য পাওয়ার জন্য বাংলা নোটিশ এর ফেসবুক পেজটি লাইক এবং ফলো করে রাখুন ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে রাখুন এবং প্লেস্টোর থেকে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপটি ডাউনলোড করে রাখুন।

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ