ফরম ও ম্যানুয়াল

অনলাইনে একাদশ শ্রেণি ভর্তির পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনা: ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ

অনলাইনে একাদশ শ্রেণি ভর্তির পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনা: ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ; অনলাইনে একাদশ শ্রেণি ভর্তির পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনা: ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ; অনলাইনে একাদশ শ্রেণি ভর্তির পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনা: ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ

  • ►গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সকল কলেজ/মাদ্রাসা/কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শুধুমাত্র ইন্টারনেটের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।
  • ► ৯ আগস্ট হতে ২০ আগস্ট, ২০২০ তারিখের মধ্যে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শুধুমাত্র ইন্টারনেটের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে তবে ১৫ আগস্ট, ২০২০ জাতীয় শোক দিবসে অনলাইন সার্ভিস ও কল সেন্টার বন্ধ থাকবে ।
  • ► ভর্তি সংক্রাস্ত সকল কার্যক্রমের সময়সূচি, ভর্তি নির্দেশিকা, আবেদনের নিয়মাবলী এবং ফলাফলের জন্য নির্ধারিত ওয়েবসাইট www.xiclassadmission.gov.bd এবং স্ব স্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও জানা যাবে।
  • ► এই ভর্তি নির্দেশিকার যে কোন ধারা/নিয়মাবলীর সংশোধন, সংযোজন বা বাতিল করার অধিকার শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
  • ► ইন্টারনেটে সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (কলেজ/মাদ্রাসা) আবেদনের জন্য ১৫০/- (সার্ভিস চার্জ সহ) আবেদন ফি প্রযোজ্য হবে। ইন্টানেটের মাধ্যমে আবেদনের জন্য নগদ/সোনালী ব্যাংক/টেলিটক/বিকাশ/শিওরক্যাশ/রকেট-এর মাধ্যমে ১৫০/- টাকা প্রদান করতে হবে।
  • ► সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করা যাবে তবে- একই প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিফট/ভার্সন/ গ্রুপে আবেদন করা যাবে।
  • ► ইন্টারনেটে আবেদনে শিক্ষার্থীর কোন তথ্য অসত্য, ভুল বা অসস্পূর্ণ বলে প্রমাণিত হলে তার আবেদন/চূড়ান্ত ভর্তি বাতিল করার অধিকার শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
  • ► প্রথমবার আবেদনের সময় শিক্ষার্থীকে নিজের/অভিভাবকের একটি মোবাইল নম্বর দিতে হবে, যেটি শিক্ষার্থীর Contact Number হিসেবে বিবেচিত হবে। Contact Number টি শিক্ষার্থীর জন্য অতীব গুরত্বপূর্ণ কেননা পরবর্তীতে শিক্ষার্থীর সকল যোগাযোগ ও আবেদনের জন্য কিংবা আবেদন সংশোধনের জন্য এই Contact Number টির প্রয়োজন হবে।
  • ► প্রয়োজনীয় অর্থ পরিশোধ করার সময় শিক্ষার্থী নিজের/অভিভাবকের যে Contact মোবাইল নম্বর প্রদান করেছেন সেটি সাবধানে পূরণ করতে হবে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভর্তি সম্পর্কিত সকল তথ্য এই নম্বরে পাঠানো হবে। এই নম্বরের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়া অত্যাবশ্যক। অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর প্রদান করতে হবে এবং তাঁর (যাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর প্রদান করছেন) সাথে শিক্ষার্থীর সম্পর্ক উল্লেখ করতে হবে । ভর্তির সময় পূরণকৃত জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর যাচাই করা হতে পারে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (অভিভাবকের) পূরণ করা থাকলে ভর্তি প্রক্রিয়া সহজতর হবে।
  • ► একাধিক শিক্ষার্থীর আবেদনে একই Contact Number ব্যবহার করা যাবে না অর্থাৎ ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষার্থীর Contact Number ভিন্ন ভিন্ন হতে হবে। Contact Number টি পরিবর্তন করা যাবেনা, তাই এক্ষেত্রে যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে যাতে এটি ভুল না হয়।
  • ► শিক্ষার্থীদের আবেদনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিফট/ভার্সন/গ্রুপ অনুযায়ী পছন্দক্রম প্রযোজ্য হবে। ইন্টারনেটে আবেদনের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী তার পছন্দক্রম সরাসরি ইনপুট দিতে পারবে (অর্থাৎ এন্ট্রি করতে পারবে)।
  • ► ফলাফল প্রদানের পূর্বে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (৯ আগস্ট হতে ২০ আগস্ট, ২০২০) ইন্টারনেটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৫(পাঁচ) বার কলেজের পছন্দক্রম ও কলেজ পরিবর্তন করা যাবে। প্রথম পর্যায়ের আবেদনের তারিখ ৯ আগস্ট হতে ২০ আগস্ট, ২০২০। তবে প্রাথমিক নিশ্চায়নের পর আর কোন পরিবর্তন করা যাবে না।
  • ► ৩ (তিন) টি পর্যায়ে ভর্তির ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। একজন শিক্ষার্থীকে তার মেধা, কোটা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও পছন্দক্রমানুযায়ী একটি মাত্র কলেজের জন্য নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থী নিজেই অন-লাইনে বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য ফি বাবদ ২০০/- (দুই শত) টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক ভর্তি নিশ্চায়ন করবে এক জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ২(দুই) বার স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাইগ্রেশনের জন্য বিবেচিত হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, মাইগ্রেশন সর্বদাই শিক্ষার্থীর পছন্দক্রমানুসারে উপরের দিকে যাবে।

১। ভর্তির যোগ্যতা ও গ্রুপ নির্বাচনঃ

  • ১.১: ২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০ সালে দেশের যে কোন শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০ সালে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীগণ ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে সংশ্লিষ্ট নীতিমালার অন্যান্য বিধানাবলী পূরণ সাপেক্ষে কলেজ/সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।
  • ১.২: ভর্তির জন্য একজন প্রার্থী নিম্নরূপ-এ গ্রুপ নির্বাচন করতে পারবে, যথা:
    • i) সাধারণ শিক্ষা বোর্ড হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে:
      • (ক) বিজ্ঞান গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের যে কোনটি। তবে বিজ্ঞান গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী অন্য গ্রুপে একবার ভর্তি হওয়ার পর পরবর্তীতে আর বিজ্ঞান গ্রুপে প্রত্যাবর্তন করতে পারবে না;
      • (খ) মানবিক গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের যে কোনটি এবং
      • (গ) ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক গ্রুপের যে কোনটি।
    • ii) মাদ্রাসা বোর্ড হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে:
      • ক) বিজ্ঞান গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান, সাধারণ গ্রুপ ও মুজাব্বিদ গ্রুপের যে কোনটি;
      • (খ) সাধারণ গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা এবং মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সাধারণ গ্রুপ ও মুজাব্বিদ গ্রুপের যে কোনটি;
      • (গ) মুজাব্বিদ গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা এবং মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সাধারণ গ্রুপ ও মুজাব্বিদ গ্রুপের যে কোনটি;
      • (ঘ) দাখিল (ভোক) গ্রুপ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বোর্ডের বিজ্ঞান, সাধারণ গ্রুপ ও মুজাব্বিদ গ্রুপের যে কোনটি ।
    • iii) কারিগরি শিক্ষা বোর্ড হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে:
      • (ক) এসএসসি (ভোক)/দাখিল (ভোক) গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের যে কোনটি ।
    • iv) উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বয়সসীমা ২০১৯ সালের ৩১শে ডিসেম্বর অনূর্ধ্ব ২২ বছর হতে হবে, অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের জন্ম তারিখ ১৯৯৮ এর ১লা জানুয়ারী বা তার পরে হতে হবে।
    • v) যে কোন বিভাগ (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী গার্হস্থ্য অর্থনীতি ও সংগীত গ্রুপ এর যে কোনটি ।

২। ভর্তির আবেদন দাখিলের জন্য করণীয়ঃ

শুধুমাত্র ইন্টারনেট-এ আবেদন করা যাবে, এক্ষেত্রে নিচে প্রদত্ত ধাপসমূহ অনুসরণ করতে হবে।

আবেদনের ফি প্রদান পদ্ধতি: ইন্টারনেটে আবেদনের পূর্বে শিক্ষার্থীকে নগদ/সোনালী ব্যাংক/টেলিটক/বিকাশ/শিওরক্যাশ/রকেট এর মাধ্যমে নিন্মেবর্ণিত  ধাপসমূহ অনুসরণপূর্বক আবেদন ফি প্রদান করতে হবে।

প্রার্থীকে তার এসএসসি/সমমানের পরীক্ষার বোর্ড, রোল নম্বর এবং পাসের সন ব্যবহার করে ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ) টাকা ফি প্রদান করতে হবে।

  • ক) নগদ অ্যাপ এর মাধ্যমে ফি প্রদান পদ্ধতি
  • খ) সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ফি প্রদান পদ্ধতি
  • গ) টেলিটকের মাধ্যমে ফি প্রদান পদ্ধতি
  • ঘ) বিকাশ অ্যাপ এর মাধ্যমে ফি প্রদান পদ্ধতি
  • ঙ) শিওরক্যাশের মাধ্যমে ফি প্রদান পদ্ধতি
  • চ) রকেট অ্যাপ এর মাধ্যমে ফি প্রদান পদ্ধতি

২.১ ইন্টারনেটে আবেদন পদ্ধতি: 

২.২ (ক) নিম্নলিখিত নিয়মে আবেদন Submit করতে হবে।

  • ১. নগদ/সোনালী ব্যাংক/টেলিটক/বিকাশ/শিওরক্যাশ/রকেট এর আবেদন ফি ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ টাকা) জমা
    দেয়ার পর আবেদনকারীকে নির্ধারিত website-এ (www.xiclassadmission.gov.bd) যেয়ে Apply Online” Button-এ ক্লিক করতে হবে; এরপর প্রদর্শিত তথ্য ছকে এসএসসি/সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের সন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে এন্ট্রি দিতে হবে। আবেদনকারীর দেয়া তথ্য সঠিক হলে তিনি তার ব্যক্তিগত তথ্য ও এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত GPAদেখতে পাবেন।
  • ২. এরপর শিক্ষার্থীর Contact Number (ফি প্রদানের সময় প্রদত্ত মোবাইল নম্বর) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা
    (ধাপ ২.৩ অনুযায়ী) দিতে হবে।
  • ৩. অতঃপর তাঁকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রুপ, শিফট এবং ভার্সন Select করতে হবে। এভাবে শিক্ষার্থী
    সর্বোচ্চ ১০টি ও সর্বনিম্ন ৫টি কলেজ/মাদরাসা Select করতে পারবে। এই ফরমে আবেদনকারী তাঁর সকল
    আবেদনের পছন্দক্রমও নির্ধারণ করতে পারবেন।
  • ৪. এরপর আবেদনকারী ”Preview Application” Button-এ ক্লিক করলে তার আবেদনকৃত কলেজসমূহের
    তথ্য ও পছন্দক্রম দেখতে পারবেন।
  • ৫. Preview-এ দেখানো তথ্যসমূহ সঠিক থাকলে আবেদনকারী “Submit” Button-এ ক্লিক করবেন।
  • ৬. আবেদনটি সফলভাবে Submit করা হলে আবেদনকারী তাঁর প্রদত্ত Contact Number-এর মোবাইলে
    একটি নিশ্চিতকরণ SMS পাবেন এবং যাতে একটি সিকিউরিটি কোড (Security Code) থাকবে। এই
    (Security Code) টি গোপনীয়তা ও সতর্কতার সাথে সংরক্ষণ করতে হবে, যা পরবর্তীতে আবেদন
    সংশোধন ও ভর্তি সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করতে হবে।
  • ৭. আবেদনকারী চাইলে তাঁর আবেদনসমূহের তথ্যাদিসহ উক্ত ফরমটি Download করে প্রিন্ট (Print) নিতে
    পারবেন।
  • (খ) উপরের নির্দেশনা অনুযায়ী এসএসসি/সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের সন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর
    সঠিকভাবে এন্ট্রি দেয়ার পরও শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য ও এসএসসি পরীক্ষার GPA দেখতে না পেলে, তাঁকে
    আবেদন ফি ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ টাকা) জমা দেয়ার Transaction ID টি এন্ট্রি দিতে হবে এবং ফি প্রদানের জন্য তিনি যেই অপারেটর (নগদ/সোনালী ব্যাংক/টেলিটক/বিকাশ/শিওরক্যাশ/রকেট) ব্যবহার করেছে তাকে Select করতে হবে। পরবর্তীতে ৩০ মিনিট পর ইন্টারনেটে আবেদন করার জন্য পূর্বে উল্লেখিত পদ্ধতিতে অনুসরণ করতে হবে।

২.৩: কোটা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে):

  • (ক) মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের জন্য কোটায় (FQ) ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থী তথ্য-ছকের নির্দিষ্ট
    স্থানে FQ কোটা Select করবেন। কোটায় আবেদনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত মূল সনদ পত্র
    থাকতে হবে এবং পরবর্তীতে কলেজ/মাদ্রাসা কর্তৃক যাচাইকরণ হবে বিধায় কোটার অপশন (Option)
    দেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
  • (খ) যে সকল প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কোটা (SQ) অনুমোদিত আছে- সে সকল প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের
    সন্তানগণ এই বিশেষ কোটার জন্য আবেদন করতে পারবেন। উল্লেখ্য যে, আবেদন চলাকালীন সময়ের মধ্যে
    সংশ্লিষ্ট কলেজসমূহ ইন্টারনেটে বিশেষ কোটা আবেদনকারীদের আবেদন নিশ্চিত করবেন।

২.৪: পছন্দক্রম পরিবর্তন: 

একজন আবেদনকারী সর্বোচ্চ ৫(পাঁচ) বার ইন্টারনেটে ঢুকে কলেজের পছন্দক্রম এবং কলেজ পরিবর্তন করতে পারবে।

৩। মেধামান নির্ধারণঃ

  • ৩.১ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা-২০২০ অনুসরণপূর্বক ভর্তির ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও মেধামান নির্ণয় করা হবে। আবেদনকারীদের বিভিন্ন কলেজ/মাদ্রাসা /সমমানের প্রতিষ্ঠানে আবেদন ঐ প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট গ্রুপ/শিফট/ ভার্সন, আসন সংখ্যা, পছন্দক্রম এর ভিত্তিতে এবং নিম্ন বর্ণিত (ধারা-৩.২-৩.৪) নিয়মানুযায়ী মেধামান নির্ধারণপূর্বক একজন আবেদনকারী শিক্ষার্থীকে শুধুমাত্র একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত করা হবে।
  • ৩.২ কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ৯৫% আসন সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে যা মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে। অবশিষ্ট ৫% আসন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। উপর্যুক্ত কোটায় যদি প্রার্থী না পাওয়া যায় তবে কোটার আসন কার্যকরী থাকবে না, অর্থাৎ উক্ত আসনে মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের সনাক্তকরণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের সনদ দাখিল করতে হবে। যে সকল শিক্ষার্থী প্রতিবন্ধী হিসেবে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে তারা সংশ্লিষ্ট বোর্ডে ম্যানুয়ালি ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। প্রবাসীদের সন্তান/বি.কে.এস.পি. থেকে উত্তীর্ণ
    শিক্ষার্থী/খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিভাগীয় বা জাতীয় পর্যায়ে অসামান্য অবদানের জন্য পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য বোর্ডে ম্যানুয়ালি আবেদন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে বোর্ড উপযুক্ত প্রমাণপত্র যাচাই বাছাই পূর্বক শিক্ষার্থীকে কাঙ্খিত প্রতিষ্ঠানে (প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত নূন্যতম জিপিএ থাকা সাপেক্ষে) ভর্তির ব্যবস্থা নিবে। উল্লেখ্য যে, যারা কোটার জন্য ম্যানুয়ালি আবেদন করবে তারা একইসাথে সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে ইন্টারনেটেও আবেদন করতে পারবে।
  • ৩.৩
    • (ক) এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-র ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।
    • (খ) সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক মূল্যায়ন (Continuous Assessment) ব্যতীত মোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম  নির্ধারণ করা হবে। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্ষেত্রে প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করা হবে। তাছাড়া বিভিন্ন সালের গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে।
    • (গ) বিজ্ঞান গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান মোট নম্বর প্রাপ্তদের মেধাক্রম নির্ধারণের জন্য পর্যায়ক্রমে সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে।
    • (ঘ) বিজ্ঞান গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে উপরের ক, খ এবং গ -এর বিধান সত্তেও যদি প্রার্থী বাছাইকল্পে উদ্ভূত জটিলতা নিরসন না হয়, তবে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়নে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে।
    • (ঙ) মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের ক্ষেত্রে সমান মোট নম্বর প্রাপ্তদের মেধাক্রম নিম্পত্তির লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে।
    • (চ) এক গ্রুপের প্রার্থী অন্য গ্রুপ ভর্তির ক্ষেত্রে জিপিএ একই হলে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থী বাছাইকল্পে উদ্ভূত জটিলতা নিরসন না হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে।
  • ৩. ৪ স্কুল এন্ড কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীগণ প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত যোগ্যতা সাপেক্ষে স্ব স্ব বিভাগে (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব বিভাগে ভর্তি নিশ্চিত করেই কেবল অবশিষ্ট শূণ্য আসনে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ধারা ৩.০ এর উপবিধান (৩.২) ও (৩.৩) অনুসরণ করে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো যাবে। তবে এ সকল প্রতিষ্ঠানের সকল ভর্তিই অনলাইনে হবে।

৪। ভর্তির ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ, প্রকাশ এবং মাইগ্রেশনঃ

মোট ৩ (তিন) টি পর্যায়ে ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। প্রাথমিক নিশ্চায়ন সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ২(দুই) বার স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া চালনা করা হবে অর্থাৎ প্রাথমিক নিশ্চায়নের পরও সর্বোচ্চ ২(দুই) বার একজন শিক্ষার্থীর কলেজ নির্বাচন পরিবর্তন হতে পারে। প্রতি পর্যায়ে পছন্দক্রমানুযায়ী অটোমাইগ্রেশন হবে এবং মাইগ্রেশন সর্বদাই ছন্দক্রমানুসারে উপরের দিকে যাবে।

  • একজন শিক্ষার্থী তার আবেদনের সময় দেয়া কলেজ পছন্দক্রম ও এসএসসি/সমমান পরীক্ষার ফলাফল, কোটা ইত্যাদির ভিত্তিতে শুধুমাত্র ১টি কলেজেই সিলেকশন পাবে।
  • নির্বাচিত শিক্ষার্থী নিজেই অনলাইনে বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য ফি বাবদ ২০০/- (দুই শত) টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক ভর্তি নিশ্চায়ন করবেন। উল্লেখ্য যে, প্রত্যেক নির্বাচিত শিক্ষার্থীকে অবশ্যই ২০০/- (দুই শত) টাকা জমা দিয়ে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। অন্যথায় শিক্ষার্থীর মনোনয়ন ও আবেদন বাতিল হবে। আবেদন বাতিলকৃত শিক্ষার্থী ইচ্ছা করলে পরবর্তী পর্যায়ের জন্য পুনরায় আবেদন ফি জমা দিয়ে নতুন ভাবে আবেদন করতে পারবে।
  • যে সকল শিক্ষার্থী আবেদনকৃত কোন কলেজেই সিলেকশন পাবে না তারা পুনরায় আবেদন ফি ব্যতীত এবং যারা ইতিপূর্বে কোন কলেজেই আবেদন করে নাই তারা আবেদন ফি জমা দেয়া সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে।
  • ফলাফল প্রক্রিয়াকরণের পর নির্দিষ্ট তারিখে শিক্ষার্থীদেরকে ঝগঝ-এর মাধ্যমে ফলাফল জানানো হবে এবং একই সাথে SMS-এ একটি গোপনীয় Security Code প্রদান করা হবে। এই Security Code টি চুড়ান্ত ভর্তি নিশ্চায়নের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। তাছাড়াও শিক্ষার্থীগণ ভর্তির ওয়েবসাইট www.xiclassadmission.gov.bd থেকে ভর্তির বিস্তারিত ফলাফল জানতে পারবে।

৫। কলেজে ভর্তিঃ

নির্ধারিত তারিখে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ভর্তি ওয়েবসাইট www.xiclassadmission.gov.bd দেয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ ডাউনলোড করে তা নোটিশ বোর্ডে প্রদর্শণ করবেন। অতঃপর ভর্তির জন্য নির্ধারিত তারিখে শিক্ষার্থী কলেজে উপস্থিত (স্বাস্থবিধি অনুসরণ পূর্বক) হয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনুমোদিত ফি জমা দিয়ে ভর্তি হবে এবং কলেজ শিক্ষার্থীর Security Code ব্যবহার করে ভর্তির চূড়ান্ত নিশ্চায়ন করবে।

সকল স্তরের শিক্ষা সংক্রান্ত সঠিক তথ্য, সরকারি-বেসরকারি চাকুরি বিজ্ঞপ্তি, চাকুরির পরীক্ষা, এডমিট কার্ড, পরীক্ষার রুটিন, সরকারি বেসরকারি বৃত্তি, উপবৃত্তি ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজটি Follow করে রাখুন।

ইউটিউবে সর্বশেষ আপডেট পেতে বাংলা নোটিশ ডট কম এর ইউটিউব চ্যানেলটি Subscribe করে রাখুন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের যেকোন বিজ্ঞপ্তি, খবর, নোটিশ ও জাতীয় রাজনৈতিক বিষয়ে লেখা প্রকাশ করতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দেশের অন্যতম প্রিয় অনলাইন পোর্টাল সর্বদাই সত্য ও বস্তুনির্ভর তথ্য প্রকাশে বদ্ধপরিকর। আপনার যেকোন অভিযোগ আপত্তি ও পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করা হবে।

ক্যাটাগরি ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেখুন

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা নোটিশ ডট কম এর প্রকাশক ও সম্পাদক জনাব আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া। জন্ম ১৯৯৩ সালের ২০ নভেম্বর, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায়। বাবা আবদুল গফুর ভূঁইয়া এবং মা রহিমা বেগম। এক ছেলে এক মেয়ে। ছেলে আবদুল্লাহ আল আরিয়ান বয়স ৫ বছর। মেয়ে ফাবিহা জান্নাত বয়স ১ বছর। আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া এর শিক্ষাজীবন আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে ২০১৮ সালে ম্যানেজমেন্ট এ স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি উত্তরা ইউনিভার্সিটি ঢাকা থেকে বিপিএড সম্পন্ন করেন। আজিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শুরু। এরপর আজিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং নবাব ফয়জুন্নেসা সরকারি কলেজ লাকসাম উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে কিছুদিন ক্লাস করার পর। পারিবারিক কারণে নাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। শিক্ষা জীবনে তিনি কুমিল্লা সরকারি কলেজ এ কিছুদিন রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়ন করার পর ভালো না লাগায় পুনরায় ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। ছাত্র জীবনে তিনি নানা রকম সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। কর্মজীবন কর্মজীবনের শুরুতে তিনি আজিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা পেশায় যোগদেন। বেশ কিছুদিন পর তিনি ২০১৯ সালে উন্নত ভবিষ্যতের আশায় কুয়েত পারি জমান। কিন্তু সেখানকার কাজের পরিস্থিতি অনুকুলে না থাকায় পুনরায় আবার বাংলাদেশে ফিরে এসে পূর্বের পদে কাজে যোগদান করে অদ্যাবধি কর্মরত আছেন। এছাড়াও তিনি স্বপ্ন গ্রাফিক্স এন্ড নেটওয়ার্ক নামে একটি মাল্টিমিডিয়া এবং প্রিন্টিং প্রেস প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধীকারী সেই সাথে স্বপ্ন ইশকুল নামক একটি কম্পিউটার ট্রেণিং ইনস্টিটিউট এর মালিকানায় আছেন যেখানে তিনি নিজেই ক্লাস পরিচালনা করেন। লেখা-লেখি ও সাহিত্য কর্ম ছাত্র অবস্থায় তিনি লেখা-লেখি ও সাহিত্য কর্মের সাথে জড়িত আছেন। ২০১১ সালে রাইটার্স এসোসিয়েশন এর ম্যাগাজিনে তার প্রথম লেখা বন্ধু চিরন্তন প্রকাশিত হয়। এর পর তিনি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ