ই-পাসপাের্ট সেবা পুনরায় চালু : আবেদন করবেন যেভাবে : বিস্তারিত গাইডলাইন

ই-পাসপাের্ট আবেদন বিস্তারিত: বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতির কারণে ই-পাসপোর্ট সেবা বন্ধ থাকার পর পুনরায় ই-পাসপোর্ট সেবা চালুর বিষয়টি ঘোষনা করেছে ইমিগ্রিশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর; অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিতে ই-পাসপোর্ট চালুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ই-পাসপাের্ট আবেদন বিস্তারিত গাইড লাইন নিয়ে আজকে আমাদের টিউন।

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়-

১। দেশে উদ্ভুত করােনা পরিস্থিতির কারণে ২৩ মার্চ ২০২০ ইং তারিখ হতে ই-পাসপাের্টের সকল কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

এখানে উল্লেখ্য যে, ই-পাসপাের্ট সেবা বন্ধ হওয়ার আগে ০৯ টি পাসপাের্ট অফিসে ই-পাসপাের্ট সেবা চালু ছিল।

ইতিমধ্যে আরও ২৫ টি নতুন পাসপাের্ট অফিসে ই-পাসপাের্ট সেবা উদ্বােধন করা হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিবন্ধন (নতুন ও রি-ইস্যু) কার্যক্রম সীমিত পরিসরে (মােট সক্ষমতার ৪০%) ই-পাসপাের্ট সেবা চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে

যা সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তীতে বৃদ্ধি করা হবে।

এ উদ্দেশ্যে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে-

ক। ইতিমধ্যে অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রাপ্ত সকল আবেদনকারীরা ২৫ আগস্ট ২০২০ ইং তারিখে মােবাইলে বিজ্ঞপ্তি আকারে একটি ক্ষুদে বার্তা (SMS) এবং ই-মেইল গ্রহন করবেন।

একই বিজ্ঞপ্তি ইমিগ্রেশন ও পাসপাের্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট এবং ই-পাসপাের্ট ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

খ; বিদ্যমান আবেদনকারীদের জন্য ২৫ আগস্ট থেকে অনলাইন পাের্টালটি উন্মুক্ত করা হবে। তারা ০১ সেপ্টেম্বর হতে ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ইং পর্যন্ত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করতে পারবেন।

উল্লেখিত তারিখসমূহ তাদের জন্য সম্মিলিত ভাবে বরাদ্দ থাকবে।

গ। ০১ সেপ্টেম্বর ২০২০ ইং হতে নতুন এবং পুরাতন আবেদনকারী অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু, নতুন আবেদনকারীর জন্য ১১ সেপ্টেম্বর হতে অনলাইনে বুকিং শুরু হবে। উভয় প্রকার আবেদনকারীদের জন্য ৫০% কোটা নির্ধারিত থাকবে।

ঘ। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ১৪ সেপ্টেম্বর হতে অবশিষ্ট ২৫ টি আরপিও তে ধাপে ধাপে ই-পাসপাের্ট সেবা চালু করা হবে (প্রতি সপ্তাহে ৫টি আরপিও)।

নিম্নলিখিত হক অনুযায়ী পর্যায়ক্রমিক ভাবে পাসপাের্ট অফিস সমূহে ই-পাসপাের্ট সেবা চালু করা হবে-

সপ্তাহ অনুযায়ী পাসপাের্ট অফিস সমূহের নাম-

  • প্রথম সপ্তাহে- গােপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, নােয়াখালী, ফেনী
  • দ্বিতীয় সপ্তাহে- মুন্সীগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ
  • তৃতীয় সপ্তাহে- যশাের, খুলনা, কুমিল্লা, কুষ্টিয়া, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ,
  • চতুর্থ সপ্তাহে- চাঁদগাও (চট্টগ্রাম), রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর
  • পঞ্চম সপ্তাহে- দিনাজপুর, নওগাঁ, জয়পুরহাট, বরিশাল, পটুয়াখালী

ঙ। ভবিষ্যতে চালুকৃত পাসপাের্ট অফিসসমূহ ই-পাসপাের্ট সেবা উদ্বোধনের পর তাদের সক্ষমতার ৪০% নিবন্ধনের কার্যক্রম চালু রাখবে।

২। IP এর তত্ত্বাবধানে নতুন উদ্বোধনকৃত পাসপাের্ট অফিস সমূহ হতে ২/১ জন করে অপারেটর ০১ সেপ্টেম্বর হতে চালু হতে যাওয়া ০৯ টি পাসপাের্ট অফিস সমূহে সংযুক্ত করে

অন জব ট্রেনিং কার্যক্রমের মাধ্যমে ই-পাসপাের্ট সেবার সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

৩। বিষয়াট আপনাদের সদয় অবগতি ও পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য প্রেরণ করা হলাে।

ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত উইং কমান্ডার প্রকল্প পরিচালকের পক্ষে কার্যক্রমঃ মহাপরিচালক, ইমিগ্রেশন ও পাসপাের্ট অধিদপ্তর আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭ মােঃ রকিবুল হাসান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড করুন-

বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ: ২৪ আগষ্ট ২০২০

অলাইনে ই-পাসপোর্টের আবেদন সংক্রান্ত বিস্তারিত গাইডলাইন পড়ুন; ই-পাসপোর্ট গাইডলাইন

অনলাইনে পাসপোর্ট এর আবেদন করা দেখুন

এই সংক্রান্ত যেকোন তথ্য ও সহযোগিতা পেতে আমাদের টেকসাপোর্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করুন। ঘরে বসেই আপনি ই-পাসপোর্ট আবেদন করতে পারবেন।

আপনার জন্য আরও কিছু তথ্য-

দেশের সকল সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্টানের অফিসিয়াল নোটিশ, বিজ্ঞপ্তি, পরিপত্র পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক ও ফলো করে রাখুন;

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ