চুক্তি অংশীদারী ব্যবসায়ের মূল ভিত্তি – কপিরাইট

চুক্তি অংশীদারী ব্যবসায়ের মূল ভিত্তি ও কপিরাইট: মূলধনের স্বল্পতার কারণে উদ্যোক্তাগণ অনেক সময় ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি করতে পারেন না। ব্যবসা এর পরিধি বৃদ্ধি এবং বৃহৎ পরিসরে ব্যবসা সম্প্রসারণ করার লক্ষ্যে অংশীদারি ব্যবসায়ের উদ্ভব হয়। আজকে আমি তোমাদের সাথে চুক্তি অংশীদারী ব্যবসায়ের মূল ভিত্তি ও কপিরাইট নিয়ে আলোচনা করবো।

অংশীদারী ব্যবসায়:

একাধিক ব্যক্তি মিলে নিজেদের প্রিয় সংগঠন একত্রিত করে যখন নতুন কোন ব্যবসায় সংগঠন গড়ে তুলে তখন তাকেই অংশীদারি ব্যবসা বলে অভিহিত করা হয়।

আমাদের দেশে অনেক যেমন ব্যবসায় সংগঠন আছে যারা অনেকে মিলে একসাথে শুরু করেছে এবং তা সমৃদ্ধি পথ দেখেছে।

অংশীদারি ব্যবসায় কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও অনেকগুলো সুযোগ সুবিধাও রয়েছে।

কয়েকজন মিলে অল্প অল্প করে পুঁজি দিয়ে অনেক বড় অঙ্কের টাকা জমিয়ে একটি বড় ধরনের ব্যবসা শুরু করা যায় অংশীদারি ব্যবসায় এর মাধ্যমে।

অংশীদারি ব্যবসার অন্যতম একটি মূল ভিত্তি হলো চুক্তি। ব্যবসায়ী পার্টনার দের সাথে কাজ করার জন্য ভবিষ্যৎ জটিলতা নিরসন কল্পে অবশ্যই অংশীদারি ব্যবসায় চুক্তি বদ্ধ হতে হয়।

আজকে আমরা আলোচনা করব চুক্তি অংশীদারি ব্যবসার মূল ভিত্তি এই বিষয়টি নিয়ে।

অংশীদারি ব্যবসার চুক্তিপত্র:

দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির মাধ্যমে অংশীদারি ব্যবসায় গঠিত হয়। অংশীদারী ব্যবসায় চুক্তি মৌখিক বা লিখিত দুই ধরনের হতে পারে।

লিখিত চুক্তি আবার নিবন্ধিত হতে পারে। লিখিত বা মৌখিক যাইহোক অংশীদারি ব্যবসার শুরু হয় চুক্তির মাধ্যমে।

  • ১. ব্যবসায় শুরুতেই চুক্তিবদ্ধ হলে ভবিষ্যতে অংশীদারি ব্যবসায়ের জটিলতার সমাধান করা সহজ।
  • ২. চুক্তির মাধ্যমে অংশীদারি ব্যবসায় অংশীদারদের কর্মবন্টন করা যায়।
  • ৩. সঠিক যুক্তি প্রণয়নের মাধ্যমে অংশীদারি ব্যবসায় অংশীদারদের লাভ-লোকসান নির্ধারণ করা যায়।
  • ৪. চুক্তির মাধ্যমে অংশীদারদের দায়িত্ব ক্ষমতাও অধিকার বর্ণনা করা হয়।
  • ৫. চুক্তির মাধ্যমে অংশীদারি ব্যবসার প্রকৃত উদ্দেশ্য অফ দা ইত্যাদি নির্ধারণ করা যায়
  • ৬. সঠিকভাবে চুক্তি প্রণয়নের মাধ্যমে অংশীদারি ব্যবসায়ের প্রত্যেক অংশীদারের প্রদত্ত মূলধনের পরিমাণ ও পরিশোধ পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়।
  • ৭. ব্যবসা পরিচালনার সঠিক নিয়মাবলী অংশীদারি ব্যবসায় চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারণ করা যায়।
  • ৮. সঠিক যুক্তি প্রণয়নের মাধ্যমে অংশীদারি ব্যবসায় প্রত্যক্ষভাবে ব্যবসা পরিচালনাকারিকে নির্ধারণ করা যায়।
  • ৯. অংশীদারি ব্যবসায় সঠিক এবং লিখিত চুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে অংশীদারদের মধ্যে কোন বিরোধ দেখা দিলে তা মীমাংসা করন পদ্ধতি আলোচনা করা হয়।

উপরোক্ত আলোচনা থেকে বুঝতে পারলাম অংশীদারি ব্যবসায় পরিচালনা করার জন্য অংশীদারদের মধ্যে অবশ্যই একটি অংশীদারি চুক্তিপত্র প্রণয়ন করতে হবে।

অন্যথায় ক্ষুদ্র-মাঝারি বড় যেকোনো ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থায়িত্ব লাভ করবে না।‌

কপিরাইট কাকে বলে:

কপিরাইট একটি গুরুত্বপূর্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ যা রক্ষা করার ব্যবস্থা না করলে এর স্বত্বাধিকারী বা মালিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কপিরাইট এর মাধ্যমে সাহিত্য, শিল্প ও অন্যান্য শিল্পকলা সৃষ্টিকারীকে তার সৃষ্ট মেধা সম্পদ ব্যবহারের একচ্ছত্র অধিকার প্রদান করা হয়।

গল্প, নাটক, প্রবন্ধ, কবিতা জাতীয় সাহিত্যকর্ম, চিত্রকর্ম, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, যন্ত্রসংগীত, স্থাপত্যকলা কপিরাইট দ্বারা সংরক্ষিত হয়। ‌

বন্ধুরা এই ছিল তোমাদের জন্য আজকের আয়োজন। আশা করছি ব্যবসায় উদ্যোগ বিষয়ের ৩য় এস্যাইনমেন্ট এর উত্তর সঠিকভাবে করতে পারবে।

তোমাদের জন্য আজকের টিউনটি পাঠিয়েছে সুমাইয়া ইয়াছমিন, ঢাকা

প্রতি সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সবার আগে পেতে বাংলা নোটিশ ডট কম এর ফেসবুক পেইজ লাইক ও ফলো করে রাখুন এবং ফেসবুক পেইজ Like ও Follow করে রাখুন;

ইউটিউবে শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্য পেতে Bangla Notice ইউটিউব চ্যানেল Subscribe করে রাখুন।

দেশের নামকরা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এবং মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের অ্যাসাইনমেন্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করে নিচ্ছে বাংলা নোটিশ এর ফেসবুক গ্রুপে; তুমিও যোগ দাও > গ্রুপ লিংক

তোমার জন্য আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ