একাডেমিক

অপরিষ্কার লবণ মিশ্রিত পানি থেকে স্ফটিক তৈরির পরীক্ষণ

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, আশা করছি তোমরা খুবই ভালো আছো। তোমরা কি ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১৯তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বিজ্ঞান এর উত্তর বা সমাধান সম্পর্কে ধারণা নিতে চাচ্ছো? কিংবা এসাইনমেন্টটি কিভাবে প্রস্তুত করতে হয় সে সম্পর্কে জানতে আগ্রহী? তাহলে বলবো তোমরা ঠিক ওয়েবসাইটে এসেছো। তোমাদের জন্য আজকের আর্টিকেলটিতে রয়েছে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ১৯তম সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর বা সমাধান- অপরিষ্কার লবণ মিশ্রিত পানি থেকে স্ফটিক তৈরির পরীক্ষণ।

মূল্যায়নের লক্ষ্যে প্রকাশিত ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ১৯তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে সম্পন্ন করার পর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষকের নিকট জমা দিবে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকেরা মূল্যায়ন করে যথাযথ নিয়মে সংরক্ষণ করবেন। তোমাদের জন্য আজকের আর্টিকেলটিতে রয়েছে ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১৯তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বিজ্ঞান এর বাছাইকরা সমাধান

৬ষ্ঠ শ্রেণি ১৯তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বিজ্ঞান

অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ :

২য় পাত্র- অপরিষ্কার লবণ মিশ্রিত পানি।

১. কোন পাত্রে অসমত্ব মিশ্রণ রয়েছে- কেন এটি অসমত্ব মিশ্রণ?

২. ২য় পাত্র থেকে লবণের স্ফটিক প্রস্তুত করার কার্যপদ্ধতির ধারাবাহিকতা পোস্টার পেপারে/ ক্যালেন্ডারের উল্টো পাতায়/ আর্টপেপারে লিপিবদ্ধ কর।

৬ষ্ঠ শ্রেণি ১৯তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বিজ্ঞান এর বাছাইকরা সমাধান

আপনি যদি এই অ্যাসাইনমেন্টে সর্বোচ্চ নম্বর পেতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই খুব সুন্দর ভাবে আপনার অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করতে হবে এবং আপনার অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর অবশ্যই সঠিক হতে হবে। অতএব, আমি আপনাকে বলছি যে সঠিক নির্ভুলতা যাচাই করার পরে আমরা আপনার কাঙ্খিত উত্তর এখানে প্রকাশ করেছি।

১নং প্রশ্নের উত্তর

১ম পাত্রে অসমসত্ব মিশ্রণ রয়েছে।

অসমসত্ত্ব মিশ্রণঃ যে মিশ্রণে দ্রাবক ও দ্রবের উপাদানগুলাে পৃথক করা যায় সে মিশ্রণকে অসমসত্ত্ব মিশ্রণ বলে। যেমনঃ- বালি ও পানির মিশ্রণ। পানিতে বালির কণা গুলিকে পৃথক ভাবে চেনা যায়, এ জন্য এটি একটি অসমসত্ব। মিশ্রণ। কলয়েড, সাসপেনশন, ইমালশন, জেল, সস ইত্যাদি অসমসত্ব মিশ্রণ। উপরিউক্ত আলােচনার মাধ্যমে বুঝা যায় ঝালমুড়ি একটি অসমসত্ব মিশ্রণ।

২নং প্রশ্নের উত্তর

২য় পাত্র থেকে অপরিষ্কার লবণ হতে লবণের স্ফটিক প্রস্তুতকরণের কার্যপদ্ধতি নিম্নে লিপিবদ্ধ করা হলাে:

প্রয়ােজনীয় উপকরণ ও রাসায়নিক দ্রব্য:

কঠিন খাদ্য লবণের নমুনা, ২টি বিকার, ১টি ফানেল, চিনামাটি বা পার্সেলিনের বেসিন, ত্রি-পদী স্ট্যান্ড, কাঁচদন্ড, তারজালি এবং ফিল্টার কাগজ।

কার্যপদ্ধতি (Procedure)

  • ১। 250 সেমি আয়তনের একটি বিকারে 100 সেমি পানি নিয়ে এতে প্রায় 35 গ্রাম অবিশুদ্ধ NaCl যােগ করে একটি কাচদন্ডের সাহায্যে উত্তমরূপে নেড়ে দ্রবণ প্রস্তুত করতে হবে।
  • ২। এরপর ফিল্টার কাগজের মাধ্যমে দ্রবণটিকে পরিস্রাবণ করে পরিস্রুত দ্রবণ অন্য বিকারে নিতে হবে।
  • ৩। বিকারটিকে ত্রি-পদী স্ট্যান্ডের উপরে স্থাপিত তারজালির উপর বসিয়ে বুনসেন দীপের সাহায্যে উত্তপ্ত করে দ্রবণটিকে ঘনীভূত (সম্পৃক্ত) করতে হবে। দ্রবণটি সম্পৃক্ত হয়েছে কিনা জানার জন্য উত্তপ্ত ঘনীভূত দ্রবণের কিছু পরিমাণ একটি পরীক্ষা নলে নিয়ে ট্যাপের পানিতে ঠান্ডা করতে হবে। ঠান্ডা দ্রবণে কেলাস দেখা গেলেই দ্রবণর্টি সম্পৃক্ত হয়েছে বলে ধরে নেয়া যায়।
  • ৪। সম্পৃক্ত উত্তপ্ত দ্রবণকে কিছুটা শীতল করার পর দ্রবণে সামান্য পরিমাণ বিশুদ্ধ গাঢ় HCI যােগ করতে হবে। এর ফলে বিশুদ্ধ NaCI এর কেলাস উৎপন্ন হয়ে নিচের দিকে জমা হতে থাকবে।
  • ৫। উপরের স্বচ্ছ দ্রবণে আরও কিছু পরিমাণ বিশুদ্ধ গাঢ় Cl যােগ করলে কেলাসন প্রক্রিয়া শেষ হবে।
  • ৬। পরিত্রাণের সাহায্যে দ্রবণ থেকে NaCl এর কেলাস পৃথক করতে হবে এবং কেলাসগুলাে NaCl এর গাঢ় দ্রবণে ধৌত করতে হবে।
অপরিষ্কার লবণ মিশ্রিত পানি থেকে স্ফটিক তৈরির পরীক্ষণ

এটিই তোমাদের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ১৯তম সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর বা সমাধান- অপরিষ্কার লবণ মিশ্রিত পানি থেকে স্ফটিক তৈরির পরীক্ষণ।

আরো দেখুন-

সকল স্তরের শিক্ষা সংক্রান্ত সঠিক তথ্য, সরকারি-বেসরকারি চাকুরি বিজ্ঞপ্তি, চাকুরির পরীক্ষা, এডমিট কার্ড, পরীক্ষার রুটিন, সরকারি বেসরকারি বৃত্তি, উপবৃত্তি ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজটি Follow করে রাখুন। ইউটিউবে সর্বশেষ আপডেট পেতে বাংলা নোটিশ ডট কম এর ইউটিউব চ্যানেলটি Subscribe করে রাখুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের যেকোন বিজ্ঞপ্তি, খবর, নোটিশ ও জাতীয় রাজনৈতিক বিষয়ে লেখা প্রকাশ করতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ