শিক্ষা বৃত্তি

২০২১-২২ প্রধানমন্ত্রী ফেলােশিপ (১ম পর্যায়) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

২০২১-২২ প্রধানমন্ত্রী ফেলােশিপ (১ম পর্যায়) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে: গভর্নেন্স ইনােভেশন ইউনিট, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে জনপ্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় উচ্চতর শিক্ষায় (পিএইচডি এবং মাস্টার্স) “প্রধানমন্ত্রী ফেলােশিপ” প্রদানের লক্ষ্যে বাংলাদেশের নাগরিকগণের নিকট থেকে নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে আবেদনপত্র আহবান করা যাচ্ছে।

গভর্নেন্স ইনােভেশন ইউনিট, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে জনপ্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় উচ্চতর শিক্ষায় (পিএইচডি এবং মাস্টার্স) “প্রধানমন্ত্রী ফেলােশিপ” প্রদানের লক্ষ্যে বাংলাদেশের নাগরিকগণের নিকট থেকে নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে আবেদনপত্র আহবান করা যাচ্ছে।

প্রয়ােজনীয় শর্তাবলি ও নির্দেশনাঃ

১) বাংলাদেশের নাগরিক যারা ইতিপূর্বে বিদেশে কোন মাস্টার্স বা পিএইচডি করেননি বর্ণিত ফেলােশিপের আওতায়
তারা মাস্টার্স বা পিএইচডির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

সরকারি চাকুরিজীবীর ক্ষেত্রে যাদের চাকুরি স্থায়ী হয়েছে এবং চাকরিতে প্রবেশের পর বিদেশে কোন মাস্টার্স বা পিএইচডি করেননি শুধুমাত্র তারাই আবেদনের যােগ্য হবেন।

২) আবেদনকারীকে প্রত্যাশিত ডিগ্রীর জন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে নিঃশর্ত এডমিশন অফার (পূর্ণকালীন) [Unconditional offer letter (full time)] আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

উক্ত এডমিশন অফারে উল্লিখিত ভর্তির শেষ তারিখ ১ জুলাই ২০২১ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ এর মধ্যে হতে হবে।

একাধিক অফার লেটারসহ আবেদন করলে তা গ্রহণযােগ্য হবে না।

উল্লেখ্য যে, PGD leading to Masters (মাস্টার্সের ক্ষেত্রে) অথবা MPhil leading to PhD (পিএইচডি এর ক্ষেত্রে) এর অফার লেটার কোনক্রমেই বিবেচনা করা হবে না।

৩) The Times Higher Education World University Overall Rankings 2021 অনুযায়ী মাস্টার্স এর জন্য ১ থেকে ২০০ এবং পিএইচডি এর জন্য ১ থেকে ১০০ এর মধ্যে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে অফার লেটার আনয়ন করতে হবে।

আবেদনপত্র গ্রহণ ও মূল্যায়নের ক্ষেত্রে উল্লিখিত র্যাংকিং এর বাইরে অথবা অন্য কোন র্যাংকিং বিবেচনা করা হবে না।

৪) এ ফেলােশিপের আওতায় মাস্টার্সের জন্য সর্বোচ্চ ১৮ মাস এবং পিএইচডি ডিগ্রীর জন্য সর্বোচ্চ ৪ বছরের ফেলােশিপ প্রদান করা হবে।

ফেলােশিপের মেয়াদবৃদ্ধি সংক্রান্ত কোন আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

৫) আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখ পর্যন্ত কার্যকর (valid) TOEFL iBT/IELTS (Academic)/ PTE Academic স্কোর থাকতে হবে।

IELTS (Academic) এর Overall/ সর্বমােট স্কোর হতে হবে ন্যূনতম ৬.৫ (ছয় দশমিক পাঁচ), TOEFL iBT এর Overall/ সর্বমােট স্কোর হতে হবে ন্যূনতম ৮৮ (আটাশি) ও PTE Academic এর Overall/ সর্বমােট স্কোর হতে হবে ন্যূনতম ৫৯ উপযুক্ত স্কোর এর নিম্নে স্কোর প্রাপ্তগণ আবেদনের যােগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

৬) আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখে আবেদনকারীর সর্বোচ্চ বয়সসীমা নিম্নরূপ হবেঃ

  • ১. পিএইচডি-  ৪৫ বছর
  • ২. মাস্টার্স- ৪০ বছর

৭) পিএইচডি কোর্সের জন্য আবেদনকারীকে ন্যূনতম মাস্টার্স ডিগ্রীধারী এবং মাস্টার্স কোর্সের জন্য আবেদনকারীকে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রীধারী হতে হবে।

৮) ইতােমধ্যে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন এরুপ কোন প্রার্থী এ ফেলােশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন না বা বিবেচিত হবেন না।

৯) কোন আবেদনকারীর বিদেশি কোন ডিগ্রি থাকলে উক্ত ডিগ্রির জন্য অবশ্যিকভাবে ইউজিসি কর্তৃক সমতা সার্টিফিকেট . জমা দিতে হবে। অন্যথায় বিদেশি ডিগ্রি’র সাটিফিকেট ফেলােশিপ মূল্যায়নের জন্য বিবেচিত হবে না।

১০) অন্য কোন সরকারি/বেসরকারি/আন্তর্জাতিক বৃত্তি/ফেলােশিপপ্রাপ্ত প্রার্থীগণ এই ফেলােশিপের জন্য বিবেচিত হবেন না। তবে শর্ত থাকে যে, কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আংশিক বৃত্তি প্রাপ্তগণ আবেদন করতে পারবেন।

তবে বৃত্তির তথ্য উল্লেখ পূর্বক সংশ্লিষ্ট কাগজ-পত্র আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। এক্ষেত্রে ফেলােশিপ নির্বাচন কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

১১) ফেলােশিপের ফলাফল ঘােষণার পর ফেলােদের অধ্যয়নের বিষয় পরিবর্তন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবর্তন এবং দেশ
পরিবর্তনের কোন আবেদন গ্রহণযােগ্য হবে না।

চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত/ মনােনীত প্রার্থীগণকে আবশ্যিকভাবে নির্ধারিত বিশ্ববিদ্যালয় ও নির্ধারিত সেশনে অংশগ্রহণ করতে হবে।

এক্ষেত্রে, প্রার্থীর ব্যক্তিগত কোন কারণে নির্ধারিত কোর্সে, নির্ধারিত সেশনে অংশগ্রহণে ব্যর্থ হলে মনােনীত প্রার্থীর মনােনয়ন সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে। একইসাথে উক্ত প্রার্থী ভবিষ্যতে এই প্রকল্পের আওতায় কোন কোর্সে আবেদনের যােগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

১২) ফেলােশিপ প্রাপ্ত ব্যক্তি কাঙ্ক্ষিত অধ্যয়ন শেষে দেশে ফিরে ন্যূনতম ০২ বছর দেশে কর্মজীবন অতিবাহিত করবেন মর্মে দুই জন সাক্ষীর [সরকারি কর্মচারী (৫ম গ্রেড বা তার উর্ধ্বে) বা স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধির (সিটি কর্পোরেশনের মেয়র/ কাউন্সিলর, পৌরসভার মেয়র, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান)] স্বাক্ষরসহ বিধি মােতাবেক ৬০০ (ছয়শত) টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে এই মর্মে বন্ড প্রদান করবেন যে,

তিনি অধ্যয়ন শেষে দেশে ফেরত না আসলে ফেলােশিপ বাবদ গৃহীত সমুদয় অর্থ সরকারকে ফেরত দিতে বাধ্য থাকবেন।

উল্লিখিত সাক্ষীগণও এই মর্মে পৃথক বন্ড দাখিল করবেন যে, সংশ্লিষ্ট ফেলাে অধ্যয়ন শেষে দেশে ফিরে ০২ বছর কর্মজীবন অতিবাহিত না করলে তারা যৌথভাবে ৫,০০,০০০.০০ (পাঁচ লক্ষ) টাকা সরকারকে প্রদান করতে বাধ্য থাকবেন।

উল্লেখ্য, ফেলােশিপ প্রাপ্ত ব্যক্তি অধ্যয়ন শেষে দেশে ফেরত না আসলে, প্রকল্প দপ্তর ফেলােশিপ প্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক গৃহীত অর্থ আদায়ের জন্য Public Demands Recovery Act 1913 বা অন্য কোন প্রযােজ্য আইনে মামলা করতে পারবে।

১৩) ফেলােশিপপ্রাপ্ত ব্যক্তির অধ্যয়নকালীন অন্যকোন দেশে বা বাংলাদেশে ভ্রমণ/অবস্থান করার প্রয়ােজন হলে তা পূর্বেই
ফেলােশিপ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।

১৪) তথ্য সংগ্রহ বা ইন্টার্ণশিপ বা অধ্যয়নজনিত অন্য যে কোন কারণে একজন মাস্টার্স ফেলাে এককালীন বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ২ মাস এবং একজন পিএইচডি ফেলাে এককালীন বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ৪ মাস অবস্থান করতে পারবেন।

এর বেশি অবস্থান করলে তিনি স্থানীয় হারে জীবনধারণ ভাতা প্রাপ্ত হবেন। তবে ব্যক্তিগত কারণে একজন ফেলাে দুই সপ্তাহের বেশী বাংলাদেশে অবস্থান করতে পারবেন না।

ব্যক্তিগত কারণে একজন ফেলাে দুই সপ্তাহের বেশী বাংলাদেশে অবস্থান করলে সংশ্লিষ্ট ফেলাে অতিরিক্ত সময়ে স্থানীয় হারে জীবনধারণ ভাতা প্রাপ্য হবেন।

১৫) আবেদনকারী সরকারি কর্মকর্তা হলে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

অনলাইন সাবমিশনের পূর্বে ফরমের রেকমেন্ডেশন ও ফরওয়ার্ডিং এর জন্য নির্ধারিত স্থানে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সুপারিশ সম্বলিত স্বাক্ষর থাকলেই নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছে মর্মে বিবেচিত হবে।

১৬) এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক এরূপ কোন বিষয়ে অধ্যয়নের আবেদনকে অগ্রাধিকার প্রদান
করা হবে।

১৭) প্রধানমন্ত্রী ফেলােশিপ গ্রহণকারী কোন ফেলাে বা সরকারি কর্মকর্তা অধ্যয়নকালীন কোন দেশে নিজে বা স্পাউসের মাধ্যমে PR(Permanent residentship) বা গ্রীনকার্ড বা নাগরিকত্বের আবেদন করতে অথবা PR/ গ্রীনকার্ড বা নাগরিকত্ব গ্রহণ করতে পারবেন না।

এরূপ কেহ করলে তার ফেলােশিপ তৎক্ষণাত বাতিল করা হবে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

১৮) ইতােমধ্যে বিদেশে স্থায়ী বসবাসের জন্য নিজ বা স্পাউস অথবা পিতা মাতার মাধ্যমে আবেদন করেছেন বা অনুমতিপ্রাপ্ত হয়েছেন এরূপ ব্যক্তিগণ ফেলােশিপের জন্য বিবেচিত হবেন না।

১৯) এছাড়াও প্রযােজ্য ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে জারিকৃত বৈদেশিক প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত আদেশ/পরিপত্র/ নীতিমালার শর্তাবলী প্রযােজ্য হবে।

২০) ফেলােশিপের আওতায় স্পন্সরকৃত অর্থের সর্বোচ্চ সীমাঃ

চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত আবেদনকারীর কাঙ্ক্ষিত কোর্স সম্পন্ন করতে যে পরিমাণ অর্থই প্রয়ােজন হােক না কেন, ফেলােশিপ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদেয় অর্থের সর্বমােট পরিমাণ মাস্টার্স কোর্সের ক্ষেত্রে ৬০ (ষাট) লক্ষ টাকা এবং পিএইচডি কোর্সের ক্ষেত্রে ২ (দুই) কোটি টাকার অধিক হবেনা।

তবে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত আবেদনকারীর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর র্যাঙ্কিং The Times Higher Education World University Overall Rankings 2021 অনুযায়ী ১ থেকে ৩০ এর মধ্যে হলে তাঁর অনুকূলে অর্থের পর্যাপ্ততা সাপেক্ষে উৰ্দ্ধসীমার সর্বোচ্চ ১০% অর্থ অতিরিক্ত মঞ্জুর করা যেতে পারে।

অর্থাৎ এক্ষেত্রে অর্থের পর্যাপ্ততা সাপেক্ষে মাস্টার্স কোর্সের উৰ্দ্ধসীমা ৬৬ (ছেষট্টি) লক্ষ টাকা এবং পিএইচডি কোর্সের উৰ্দ্ধসীমা ২২০ লক্ষ বা দুই কোটি বিশ লক্ষ টাকা হতে পারে।

২১) প্রকল্প দপ্তর, স্টিয়ারিং কমিটির অনুমােদন সাপেক্ষে ফেলােশিপ সংক্রান্ত বা অধ্যয়ন শেষে ফেলােগণের দেশে ফেরা সংক্রান্ত বিষয়ে এবং প্রকল্পের সঠিক বাস্তবায়ন সংক্রান্ত অন্যান্য যেকোন বিষয়ে যেকোন নতুন শর্ত সংযােজন বা বিয়ােজন করতে পারবে।

২২) আবেদনে কোন অসম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য বা যে কোন ধরনের জালিয়াতি ফেলাে নির্বাচন বা ফেলােশিপ এর যে কোন পর্যায়ে উঘাটিত হলে আবেদন/ ফেলােশিপ তাৎক্ষণিক বাতিল হিসেবে গণ্য হবে।

আবেদন পদ্ধতি:

১. আবেদনকারীকে ফেলােশিপ এর ওয়েবসাইট pmfellowship.pmo.gov.bd এ প্রবেশ করে Eligibility Test এ অংশগ্রহণ করতে হবে।

Eligibility Test এ উত্তীর্ণ আবেদনকারী ফেলােশিপের ওয়েবসাইটে নিজের একটি ই-মেইল একাউন্ট ও মােবাইল ফোন নম্বর ভেরিফাইড একাউন্ট খুলতে পারবেন।

উক্ত একাউন্টের মাধ্যমে একজন আবেদনকারী তার আবেদন তৈরি এবং জমা প্রদান করতে পারবেন। আবেদন জমা/সাবমিট করার পূর্ব পর্যন্ত একাধিকবার আবেদন সংশােধন করা যাবে।

আবেদন জমা দেয়ার পর আবেদনকারী আবেদনের একটি আইডি নম্বরসহ (application ID) ই-মেইল ও মােবাইল ফোনের মাধ্যমে নিশ্চয়তাসূচক (Confirmation) বার্তা পাবেন।

আবেদনকারীকে আবেদন নম্বরটি ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। উক্ত আবেদন আইডি নম্বরটি আবেদনপত্র ট্র্যাকিং এবং ফেলােশিপ সংক্রান্ত পরবর্তী যােগাযােগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে।

২. অনলাইনে আবেদন জমাপ্রদান/সাবমিট এর পরে উক্ত আবেদনটির প্রিন্ট আউট নিতে হবে। এই প্রিন্ট আউটটি আবেদনের হার্ডকপি হিসেবে বিবেচিত হবে।

৩. তিনটি Applicant Category এর মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হবে। বিসিএস ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তাগণ “বিসিএস সরকারি কর্মকর্তা”, অন্যান্য সকল সরকারী ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তাগণ “নন বিসিএস সরকারি (বিসিএস ব্যতীত অন্যান্য)” এবং বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের জন্য বেসরকারি ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন ফরমে Applicant Category নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিসিএস কর্মকর্তা ব্যতীত অন্যান্য সকল সরকারী ও স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিবর্গ ‘নন বিসিএস সরকারি (বিসিএস ব্যতীত অন্যান্য) ক্যাটাগরিতে বিবেচিত হবেন।

যেমন: সকল সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়/ প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি।

৫. বেসরকারি ক্যাটাগরির ক্ষেত্রে সরকারি এবং নন বিসিএস সরকারি ক্যাটাগরির নয় এমন সকল প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন।

অনলাইন আবেদনের শেষ সময়: ০৭ এপ্রিল ২০২১, বাংলাদেশ স্থানীয় সময় রাত ১১.৫৯ মিনিট।

২৫) আবেদনের হার্ডকপি প্রেরণের শেষ তারিখ: ১৩ এপ্রিল ২০২১, বাংলাদেশ স্থানীয় সময় বিকাল ০৫.০০টা।

২৬) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদনের হার্ড কপি (২৮ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত সংলগ্নীসমূহ সহ) ২৭নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত
ঠিকানায় পৌছতে হবে।

২৪ নং অনুচ্ছেদে উল্লিখিত তারিখ ও সময়ের মধ্যে অনলাইন আবেদন এবং ২৫ নং অনুচ্ছেদে উল্লিখিত তারিখ ও সময়ের মধ্যে আবেদনের হার্ড কপি না পাওয়া গেলে আবেদন গ্রহণযােগ্য হবে না।

২৭) আবেদনের হার্ডকপি প্রেরণের ঠিকানাঃ

প্রকল্প পরিচালক “টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে জনপ্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ” প্রকল্প
মহাপরিচালক গভর্নেন্স ইনােভেশন ইউনিট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পুরাতন সংসদ ভবন, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫

২৮) আবেদনপত্রের সাথে নিম্নলিখিত দলিলাদি সংযুক্ত করতে হবেঃ

Applicant’s suitability for the scholarship, linkage of proposed research /study with SDG implementation, future prospects of utilizing the acquired knowledge through this study program এবং professional experience উল্লেখ করে ইংরেজিতে অনধিক ১০০০ শব্দে ‘Statement of Purpose’ নির্ধারিত স্থানে টাইপ করতে হবে।

উক্ত Statement of Purpose এর কোন অংশেই আবেদনকারীর নাম ব্যবহার করা যাবে না, তবে বর্তমান ও পূর্ববর্তী পদবি, কর্মস্থল ব্যবহার করা যাবে।

২. সকল শিক্ষাগত যােগ্যতার স্বপক্ষে প্রমাণক হিসেবে সার্টিফিকেট ও মার্কসিট/ ট্রান্সক্রিপ্ট এর PDF ভার্সন সংযুক্ত/ Upload করতে হবে;

জাতীয় পরিচয় পত্র এবং পাসপাের্ট এর সনাক্তকরণ পৃষ্ঠা (National Identity Card-NID and Passport Identification page) এর PDF ভার্সন Upload করতে হবে;

৪. TOEFL iBT/ IELTS (Academic)/ PTE Academic পরীক্ষার ফলাফল এর PDF ভার্সন Upload করতে হবে;

৫. বিশ্ববিদ্যালয়/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে নিঃশর্ত এডমিশন অফার (পূর্ণকালীন) Unconditional offer letter (full-time) এর PDF ভার্সন Upload করতে হবে;

৬. অভিজ্ঞতার সনদ (শুধুমাত্র বেসরকারি আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে) এর PDF ভার্সন Upload করতে হবে;

৭. আবেদনকারীর সদ্য তােলা পাসপাের্ট সাইজের রঙিন ছবির JPG/JPEG ফরম্যাট Upload করতে হবে;

৮. রেকমেন্ডেশন ও ফরওয়ার্ডিং ফরম যথাযথভাবে পূরণ করে আবেদনকারী এবং তার কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর (তারিখসহ) ও সীলসহ (যথাস্থানে) Upload করতে হবে।

আবেদনকারী সরকারি কর্মকর্তা হলে, চাকরি স্থায়ী হতে হবে এবং চাকরি স্থায়ী হওয়ার প্রমাণক (গেজেট নােটিফিকেশন এর PDF ভার্সন) যথাস্থানে Upload করতে হবে।

৯. বিদেশি ডিগ্রির ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে ইউজিসি কর্তৃক সমতা সার্টিফিকেট এর PDF ভার্সন যথাস্থানে Upload করতে হবে।

২৯) ফেলােশিপের আওতায় প্রদেয় বিভিন্ন ভাতার হার এবং ফেলােশিপ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রশ্নের উত্তর এর জন্য গভর্নেন্স ইনােভেশন ইউনিট এর ওয়েবসাইট www.giupmo.gov.bd তে রক্ষিত Frequently Asked Questions (FAQ) দেখার জন্য অনুরােধ করা হলাে।

৩০) Frequently Asked Questions (FAQ) তে বর্ণিত নেই এমন ফেলােশিপ সংক্রান্ত যেকোন তথ্যের জন্য +৮৮০১৩১০৫৯৪৫১০ নম্বরে অফিস চলাকালীন সময়ে (সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকাল ৫.০০টা পর্যন্ত) যােগাযােগ করা যেতে পারে।

৩১) ফেলাে নির্বাচনকালীন যে কোন পর্যায়ে আবেদনকারী কর্তৃক/ আবেদনকারীর পক্ষে যে কোন ধরণের ব্যক্তিগত যােগাযােগ বা সুপারিশ অযােগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।

(ড. মােহাম্মদ আবদুল লতিফ), প্রকল্প পরিচালক ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে জনপ্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ’ প্রকল্প, মহাপরিচালক গভর্নেন্স ইনােভেশন ইউনিট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, তেজগাঁও, ঢাকা ফোনঃ +৮৮-০২-৫৫০২৯৬২০

সকল স্তরের শিক্ষা সংক্রান্ত সঠিক তথ্য, সরকারি-বেসরকারি চাকুরি বিজ্ঞপ্তি, চাকুরির পরীক্ষা, এডমিট কার্ড, পরীক্ষার রুটিন, সরকারি বেসরকারি বৃত্তি, উপবৃত্তি ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজটি Follow করে রাখুন।

ইউটিউবে সর্বশেষ আপডেট পেতে বাংলা নোটিশ ডট কম এর ইউটিউব চ্যানেলটি Subscribe করে রাখুন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের যেকোন বিজ্ঞপ্তি, খবর, নোটিশ ও জাতীয় রাজনৈতিক বিষয়ে লেখা প্রকাশ করতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দেশের অন্যতম প্রিয় অনলাইন পোর্টাল সর্বদাই সত্য ও বস্তুনির্ভর তথ্য প্রকাশে বদ্ধপরিকর। আপনার যেকোন অভিযোগ আপত্তি ও পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করা হবে।

ক্যাটাগরি ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেখুন

আমাদের আরও কিছু ওয়েবসাইট: সফটডোড, গ্র্যাফিয়ার, ভিডিও বার্তা, বিডি রোস্টার, সাহসী বার্তা, বঙ্গ আয়না;

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা নোটিশ ডট কম এর প্রকাশক ও সম্পাদক জনাব আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া। জন্ম ১৯৯৩ সালের ২০ নভেম্বর, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায়। বাবা আবদুল গফুর ভূঁইয়া এবং মা রহিমা বেগম। এক ছেলে এক মেয়ে। ছেলে আবদুল্লাহ আল আরিয়ান বয়স ৫ বছর। মেয়ে ফাবিহা জান্নাত বয়স ১ বছর। আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া এর শিক্ষাজীবন আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে ২০১৮ সালে ম্যানেজমেন্ট এ স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি উত্তরা ইউনিভার্সিটি ঢাকা থেকে বিপিএড সম্পন্ন করেন। আজিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শুরু। এরপর আজিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং নবাব ফয়জুন্নেসা সরকারি কলেজ লাকসাম উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে কিছুদিন ক্লাস করার পর। পারিবারিক কারণে নাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। শিক্ষা জীবনে তিনি কুমিল্লা সরকারি কলেজ এ কিছুদিন রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়ন করার পর ভালো না লাগায় পুনরায় ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। ছাত্র জীবনে তিনি নানা রকম সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। কর্মজীবন কর্মজীবনের শুরুতে তিনি আজিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা পেশায় যোগদেন। বেশ কিছুদিন পর তিনি ২০১৯ সালে উন্নত ভবিষ্যতের আশায় কুয়েত পারি জমান। কিন্তু সেখানকার কাজের পরিস্থিতি অনুকুলে না থাকায় পুনরায় আবার বাংলাদেশে ফিরে এসে পূর্বের পদে কাজে যোগদান করে অদ্যাবধি কর্মরত আছেন। এছাড়াও তিনি স্বপ্ন গ্রাফিক্স এন্ড নেটওয়ার্ক নামে একটি মাল্টিমিডিয়া এবং প্রিন্টিং প্রেস প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধীকারী সেই সাথে স্বপ্ন ইশকুল নামক একটি কম্পিউটার ট্রেণিং ইনস্টিটিউট এর মালিকানায় আছেন যেখানে তিনি নিজেই ক্লাস পরিচালনা করেন। লেখা-লেখি ও সাহিত্য কর্ম ছাত্র অবস্থায় তিনি লেখা-লেখি ও সাহিত্য কর্মের সাথে জড়িত আছেন। ২০১১ সালে রাইটার্স এসোসিয়েশন এর ম্যাগাজিনে তার প্রথম লেখা বন্ধু চিরন্তন প্রকাশিত হয়। এর পর তিনি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ