সর্বশেষ আপটেড

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অর্থনীতির দশটি মৌলিক নীতি কার্যকর ভূমিকা রাখে

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, তোমরা কেমন আছো? আশা করছি ভালো আছো। আজ তোমাদের সাথে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অর্থনীতির দশটি মৌলিক নীতি কার্যকর ভূমিকা রাখে। আজকের আলোচনার শিরোনাম- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অর্থনীতির দশটি মৌলিক নীতি কার্যকর ভূমিকা রাখে। চলো শুরু করি।

আজকের আলোচনা শেষে তোমরা ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের অর্থনীতি বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তরটি লেখার বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত পাবে। নিন্মোক্ত তথ্যটি তোমাদের এ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়নে ভাল ফলাফল অর্জনে সহযোগিতা করবে।

Table of contents

৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের অর্থনীতি বিষয়ের এ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ: ‘আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অর্থনীতির দশটি মৌলিক নীতি কার্যকর ভূমিকা রাখে। উপরােক্ত বিষয়ে অনাধিক ৩০০ শব্দের একটি প্রতিবেদন রচনা কর।

• সূচনা • অর্থনীতির দশটি মৌলিক নীতি • আমাদের জীবনের নীতিগুলাের প্রভাব পর্যালােচনা করে অভিজ্ঞতার বর্ণনা • তােমার জীবন যাপনে নীতিগুলাের ভূমিকা • উপসংহার

নবম শ্রেণি ২০২১ তৃতীয় অ্যাসাইনমেন্ট অর্থনীতি বিষয়ের উত্তর

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অর্থনীতির দশটি মৌলিক নীতি কার্যকর ভূমিকা রাখে

সূচনা

জ্ঞান বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে অর্থনীতি বিষয়ের পরিধিও অনেক বেড়েছে। অতীত ও বর্তমান অর্থনীতি বিষয়ের সমন্বয়ে অর্থনীতি বিষয়ে এখন অনেক উন্নত বা সমৃদ্ধ।

প্রথমে যারা অর্থনীতি বিষয় উপস্থাপন করেছেন এদের মধ্যে অ্যাডাম স্মিথ, ডেভিড রিকার্ডো এবং জন স্টুয়ার্ট মিল অর্থনীতিকে সম্পদের উৎপাদন ও বন্টনের বিজ্ঞান বলে মনে করেন।

এদের মধ্যে এডাম স্মিথকে অর্থনীতির জনক বলা হয়। অর্থনীতির এই ধারা ক্লাসিক্যাল অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত। তখন অর্থনীতি বা Economics –  এর নাম ছিল রাজনৈতিক অর্থনীতি বা Political Economy।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অর্থনীতির দশটি মৌলিক নীতি

অর্থনীতির যে ১০ টি মৌলিক নীতি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সেগুলো হল-

১. মানুষকে পেতে হলে ছাড়তে হয় (People Face Trade-Offs)

২. সুযোগ ব্যয় (Opportunity Cost)

৩. যুক্তিবাদী মানুষ প্রান্তিক পর্যায় নিয়ে চিন্তা করে (Rational People Think at the Margin)

৪. মানুষ প্রণোদনায় সাড়া দেয় (People Respond to Incentives)

৫. বাণিজ্যে সবাই উপকৃত হয় (Trade can Make Everyone Better-Off)

৬. অর্থনৈতিক কার্যক্রম সংগঠিত করার জন্য সচরাচর বাজার একটি উত্তম পন্থা (Markets are Usually a Good Way to Organize Economic Activities)

৭. সরকার কখনো কখনো বাজার নির্ধারিত ফলাফলের উৎকর্ষ সাধন করতে পারে (Government Can Something Improve Market Outcomes)

৮. একটি দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান নির্ভর করে সে দেশের দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনের ক্ষমতার উপর (A Country’s Standard of Living Depends on It’s Ability to Produce Goods and Services)

৯. যখন সরকার অতিমাত্রায় মুদ্রা ছাপায় তখন দ্রব্যমূল্য বেড়ে যায় (Prices Rise When the Government Prints Too Much Money)

১০. সমাজে মুদ্রাস্ফীতি এবং বেকারত্বের মধ্যে স্বল্পকালীন বিপরীত সম্পর্ক বিরাজ করে (Society Faces a Short-Run Trade-Off between Inflation and Unemployment).

আমাদের জীবনে নীতিগুলোর প্রভাবের বর্ণনা

মানুষের জীবনে অর্থনীতির মৌলিক নীতিগুলোর খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে। তাই আলোচনা করা হল-

মানুষকে পেতে হলে ছাড়তে হয় (People Face Trade-Offs)

পছন্দমতো কোনো কিছু পেতে পেলে আমাদেরকে অবশ্যই পছন্দের অপর একটি জিনিস ত্যাগ করতে হবে।

উদাহরণ দিয়ে বলি, তুমি যদি অর্থনীতি বিষয় পড়তে মোট সময় ব্যয় কর, তবে বাংলা বা ইংরেজি বিষয়ে পড়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এরূপ তুমি যদি টিভি দেখো, তবে খেলাধুলার পিছনে সময় ব্যয় করতে পারবেনা।

সরকার যদি বাজেটে সামরিক খাতে বেশি ব্যয় করে, তবে শিক্ষা খাতসহ অন্যান্য সামরিক খাতে ব্যয় কমাতে হবে। অর্থাৎ সমাজে মানুষ সর্বদা একটি দেওয়া-নেওয়ার নীতি মেনে চলে।

সুযোগ ব্যয় (Opportunity Cost)

তুমি যদি স্কুলে লেখাপড়া করার জন্য সময় ব্যয় করো, তবে তুমি তোমার বাড়িতে তোমার বাবার কাজে সাহায্য করতে পারবে না।

অথচ তুমি বাড়িতে কোন একটি অর্থনৈতিক কাজ করলে তা থেকে তোমাদের পরিবার আর্থিকভাবে উপকৃত হতে পারবে। কিন্তু সে সময় তুমি স্কুলে লেখাপড়া করছো।

এখানে লেখাপড়া করার জন্য বাড়িতে কাজ করতে না পারা লেখাপড়ার সুযোগ ব্যয়। সাধারণত যেসব সুযোগ থেকে তুমি বঞ্চিত হচ্ছো। তার মধ্যে সবচেয়ে দামি সুযোগটিকেই সুযোগ ব্যয় বলা হয়।

যুক্তিবাদী মানুষ প্রান্তিক পর্যায় নিয়ে চিন্তা করে (Rational People Think at the Margin)

মানুষ প্রান্তিক পর্যায়ের চিন্তা করে। বিয়ে বাড়িতে খাওয়া শেষে তোমরা কেউ কেউ ভাবো আরো একটু খেতে পারতাম, আবার কেউ কেউ ভাবো আরেকটু কম খেলে ভালো হতো। এই অল্প একটু বেশি বা অল্প একটু কম খাওয়া হচ্ছে প্রান্তিক খাওয়া।

ধরো, তুমি একটি বিষয়ে A পেলে, তোমার মনে হবে আরেকটু পড়লেই A+ পেতাম। মানুষ প্রান্তিক সুবিধা-অসুবিধার কথাও ভাবে।

ধরো, তুমি পরপর তিনটি কলা খেলে। তিন নম্বর কলাটি হলো প্রান্তিক কলা। প্রান্তিক কলা খেয়ে তুমি যে তৃপ্তি পেলে, তার নাম প্রান্তিক উপযোগ। প্রান্তিক বা তিন নম্বর কলাটি পেতে তুমি যত টাকা খরচ করলে, তার নাম প্রান্তিক ব্যয়।

যুক্তিবাদী মানুষ হিসেবে তুমি তখনই প্রান্তিক কলাটি খাবে, যখন প্রান্তিক উপযোগ প্রান্তিক ব্যয়ের চেয়ে বেশি হবে।

মানুষ প্রণোদনায় সাড়া দেয় (People Respond to Incentives)

প্রতিটি কাজের জন্য উৎসাহ বা প্রণোদনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।  মানুষ প্রণোদনা পায় বলে কাজটি  অধিকতর যত্নের সাথে করে। তোমার বাবা যদি বলেন তুমি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেলেই তিনি তোমাকে একটি সাইকেল কিনে দিবেন।

নিশ্চয়ই তোমার ভিতরে পড়াশোনা করার উৎসাহ আরো বেড়ে যাবে। তেমনি অর্থনীতিতে শ্রমিক প্রণোদনা পেলে বেশি উৎপাদন করে।

বাণিজ্যে সবাই উপকৃত হয় (Trade can Make Everyone Better-Off)

যুক্তরাষ্ট্র  সস্তায় গাড়ি তৈরি করে। তবে আমাদের রয়েছে সস্তার পোষাক তৈরীর সমর্থ। এখন আমরা যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সস্তা পোশাকের বিনিময়ের বাণিজ্য করি , তাহলে আমাদের উভয়েরই লাভ হবে।

অর্থনৈতিক কার্যক্রম সংগঠিত করার জন্য সচরাচর বাজার একটি উত্তম পন্থা (Markets are Usually a Good Way to Organize Economic Activities)

অর্থনৈতিক কাজকর্ম সচারাচর সংঘটিত হয়ে থাকে বাজার ব্যবস্থার মাধ্যমে । ফার্ম ও পরিবারসমূহের পারস্পরিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার ফলেই কোন দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়।

ফার্মের মালিকরা বাজারের চাহিদা দেখে দ্রব্য সরবরাহ করে এবং অসংখ্য পরিবার তাদের আয় ও প্রয়োজন অনুসারে সমস্ত দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী ক্রয় করে। চাহিদা ও সরবরাহের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া দ্বারা বাজারের দাম নির্ধারিত হয়।

সরকার কখনো কখনো বাজার নির্ধারিত ফলাফলের উৎকর্ষ সাধন করতে পারে (Government Can Something Improve Market Outcomes)

বাজারব্যবস্থা সাধারণত নানা ধরনের স্বতঃস্ফূর্ত চাহিদা ও সরবরাহের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে থাকে। বাজারব্যবস্থার নির্দিষ্ট একজনের বদলে বহুজনের সম্মিলিত অদৃশ্য হাতের ইশারায় চলে।

কিন্তু সব সময় ব্যাপারটি সঠিকভাবে হয় না। নানা কারণে অদৃশ্য হাত সঠিকভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হয়।  এমন অবস্থায় সরকারি হস্তক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়ে।

গণদ্রব্য সরবরাহ যেমন: শিক্ষা, স্বাস্থ্য , আইন-শৃঙ্খলা , বিদ্যুৎ ইত্যাদি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারে অপারগতা, একচেটিয়া সম্পদের কেন্দ্রীভবন, পরিবেশ দূষণ এবং দুর্নীতির মতো বিষয়গুলো থেকে সমাজকে রক্ষা করার জন্য সরকারি হস্তক্ষেপের দরকার হয়।

বাজারের হাট অদৃশ্য হলেও , সরকারের হস্তক্ষেপ দৃশ্যমান থাকে।

একটি দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান নির্ভর করে সে দেশের দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনের ক্ষমতার উপর (A Country’s Standard of Living Depends on It’s Ability to Produce Goods and Services)

যেসব দেশের মানুষের দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করার ক্ষমতা বেশি , তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়। উন্নত দেশ সমূহের মানুষের উৎপাদন ক্ষমতা বেশি বলে তাদের মাথাপিছু আয় অনেক বেশি।

২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মাথাপিছু আয় ৬২৭৯৫.৬ মার্কিন ডলার এবং জাপানের মাথাপিছু আয় ৩৯২৯০ মার্কিন ডলার (উৎস বিশ্ব ব্যাংক)।

গড়পরতা তারা উন্নত খাবার গ্রহণ, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, উন্নত নাগরিক সুবিধা লাভ করে। শ্রমিকদের কর্মক্ষমতাও বাড়ে। অল্প সময়ে, অল্প শ্রমে তারা অনেক বেশি দ্রব্য ও সেবা তৈরি করতে পারে।

যখন সরকার অতিমাত্রায় মুদ্রা ছাপায় তখন দ্রব্যমূল্য বেড়ে যায় (Prices Rise When the Government Prints Too Much Money)

মুদ্রা ছাপানোর ক্ষমতা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক যদি অধিকমাত্রায় মুদ্রা ছাপায়, তাহলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে অর্থাৎ মূল্যস্তর বাড়ে।

মুদ্রাস্ফীতি ঘটলে অর্থের মূল্য কমে যায়। তুমি ৫০০/- টাকা খরচ করলে লেখাপড়ার প্রয়োজনীয় সামগ্রী পেয়ে যাও। কিন্তু টাকার মান কমে যাওয়ায় ওই সামগ্রী পেতে তোমাকে ৬৫০/- টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে যা পূর্বের ৫০০/- টাকার চেয়ে ১৫০/- টাকা বেশি।

জিনিসের দাম বাড়ায় একই জিনিস কিনতে এখন বেশি মুদ্রা লাগবে।

সমাজে মুদ্রাস্ফীতি এবং বেকারত্বের মধ্যে স্বল্পকালীন বিপরীত সম্পর্ক বিরাজ করে (Society Faces a Short-Run Trade-Off between Inflation and Unemployment)

দ্রব্য সামগ্রীর মূল্যস্তর বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে মুদ্রাস্ফীতি বলে। আর কোনো শ্রমিক বাজার মজুরিতে কাজ করতে ইচ্ছুক , কিন্তু কাজ পায় না- এরা হলো বেকার।

সাধারণত অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি কমলে বেকারত্ব বাড়ে। আবার মুদ্রাস্ফীতি বাড়লে বেকারত্ব কমে।

আমাদের জীবন যাপনে নীতিগুলোর ভূমিকা

প্রতিদিন আমাদেরকে বিভিন্ন অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। যেমন- দারিদ্র্য, মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব প্রভৃতি। আমরা অর্থনৈতিক সমস্যা বলতে সাধারণ সম্পদের স্বল্পতার কথা বিবেচনা করি।

প্রত্যেক সমাজকেই এই সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়। তাই আমাদের জীবন-যাপনে এই নীতিগুলোর ভূমিকা ব্যাপক।

উপসংহার

আমাদের জীবনে প্রতিটা ক্ষণে অর্থনীতির প্রয়োজন হয় । তাই পরিশেষে এটাই বলতে হয় , আমাদের জীবন যাপনে অর্থনীতির মৌলিক নীতিগুলো খুবই প্রয়োজন । জীবনযাপনের ক্ষেত্রেও নীতিগুলো প্রভাব বিস্তার করে চলে।

বন্ধুরা এই ছিল তোমাদের জন্য ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের অর্থনীতি বিষয়ের আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অর্থনীতির দশটি মৌলিক নীতি কার্যকর ভূমিকা রাখে বিষয়ক রচনা।

উত্তরদাতা: খাদিজাতুল স্বর্ণা, কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ।

তৃতীয় সপ্তাহের ৯ম শ্রেণির অন্যান্য বিষয়ের উত্তর

আরো দেখুন-

তোমাদের অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করার জন্য বাংলা নোটিশ ফেসবুক গ্রুপে দেশের বিভিন্ন নামকরা বিদ্যালয়ের অভিজ্ঞ শিক্ষক ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা নিয়মিত আলোচনা করছে। তুমিও যোগ দিয়ে বিভিন্ন তথ্য পেতে পারো-

নিয়মিত বাংলা নোটিশ ডট কম ভিজিট করুন এবং ফেসবুক পেইজ Like & Follow করে রাখুন; ইউটিউবে আপডেট পেতে বাংলা নোটিশ ইউটিউব চ্যানেলটি Subscribe করে রাখুন।

সবার আগে সকল শ্রেণির সকল সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর পাওয়ার জন্য বাংলা নোটিশ ডট কম এর এন্ড্রয়েড অ্যাপটি ইন্সটল করে নিন।

এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অর্থনীতির দশটি মৌলিক নীতি কার্যকর ভূমিকা রাখে

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা নোটিশ ডট কম এর প্রকাশক ও সম্পাদক জনাব আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া। জন্ম ১৯৯৩ সালের ২০ নভেম্বর, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায়। বাবা আবদুল গফুর ভূঁইয়া এবং মা রহিমা বেগম। এক ছেলে এক মেয়ে। ছেলে আবদুল্লাহ আল আরিয়ান বয়স ৫ বছর। মেয়ে ফাবিহা জান্নাত বয়স ১ বছর। আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া এর শিক্ষাজীবন আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে ২০১৮ সালে ম্যানেজমেন্ট এ স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি উত্তরা ইউনিভার্সিটি ঢাকা থেকে বিপিএড সম্পন্ন করেন। আজিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শুরু। এরপর আজিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং নবাব ফয়জুন্নেসা সরকারি কলেজ লাকসাম উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে কিছুদিন ক্লাস করার পর। পারিবারিক কারণে নাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। শিক্ষা জীবনে তিনি কুমিল্লা সরকারি কলেজ এ কিছুদিন রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়ন করার পর ভালো না লাগায় পুনরায় ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। ছাত্র জীবনে তিনি নানা রকম সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। কর্মজীবন কর্মজীবনের শুরুতে তিনি আজিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা পেশায় যোগদেন। বেশ কিছুদিন পর তিনি ২০১৯ সালে উন্নত ভবিষ্যতের আশায় কুয়েত পারি জমান। কিন্তু সেখানকার কাজের পরিস্থিতি অনুকুলে না থাকায় পুনরায় আবার বাংলাদেশে ফিরে এসে পূর্বের পদে কাজে যোগদান করে অদ্যাবধি কর্মরত আছেন। এছাড়াও তিনি স্বপ্ন গ্রাফিক্স এন্ড নেটওয়ার্ক নামে একটি মাল্টিমিডিয়া এবং প্রিন্টিং প্রেস প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধীকারী সেই সাথে স্বপ্ন ইশকুল নামক একটি কম্পিউটার ট্রেণিং ইনস্টিটিউট এর মালিকানায় আছেন যেখানে তিনি নিজেই ক্লাস পরিচালনা করেন। লেখা-লেখি ও সাহিত্য কর্ম ছাত্র অবস্থায় তিনি লেখা-লেখি ও সাহিত্য কর্মের সাথে জড়িত আছেন। ২০১১ সালে রাইটার্স এসোসিয়েশন এর ম্যাগাজিনে তার প্রথম লেখা বন্ধু চিরন্তন প্রকাশিত হয়। এর পর তিনি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ